অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন © ফাইল ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেছেন, কোনো মেগা প্রজেক্ট ছাড়াই সরকারের ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ কোটি। এর জন্য তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দায়ী করেন। তার এ দাবিটি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে প্রমাণ পেয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্ট।
অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন তার সেই ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, ‘নতুন কোন মেগা প্রজেক্ট ছাড়া সরকারের ঋণ বেড়ে ২৪ লাখ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে। ব্রাভো ইন্টেরিম! Gut gemacht!!’
এরপর অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন পরবর্তীতে তার পোস্টটি সরিয়ে নেন। তবে এ ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা দেননি। ২৪ লাখ কোটি টাকার ঋণ বর্তমান সরকারের আমলে নেয়া হয়নি৷ বরং ধারাবাহিকভাবে বেড়ে এ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
এর আগে, ঋণ নিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের এক বক্তব্যকে বিকৃত করে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেইজ থেকে বর্তমান সরকারকে দায়ী করে প্রচার করা হয়, আওয়ামী লীগের সময় দেনা ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকা, এ বছর উপনীত হয়েছে ২৩ লক্ষ কোটি টাকায়।
দ্য ডিসেন্টের ফ্যাক্টচেক রিপোর্টে দেখানো হয়েছে, বাণিজ্য উপদেষ্টা এ ধরণের কোনো কথা বলেননি। তিনি বলেছিলেন, ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আন্তর্জাতিক ঋণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকা যেটি এ বছর ২৩ লক্ষ কোটির টাকার উপরে এসে উপনীত হয়েছে।
অর্থাৎ ২০০৮ সাল থেকে বিগত বছরগুলোতে কিভাবে ঋণ বেড়েছে সেটি বুঝাতে চেয়েছেন তিনি।