একই স্কুলে প্রতি বছর ভর্তি ফি, ফেসবুকে সরব প্রতিবাদ

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩০ AM , আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৯ AM
প্লেকার্ড হাতে একজন

প্লেকার্ড হাতে একজন © সংগৃহীত/আগের ছবি

একই স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর নতুন করে ভর্তি ফি নেওয়ার প্রথা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, একই শিক্ষার্থী যখন একই বিদ্যালয়ে এক শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে যায়, তখন তাকে নতুন করে ভর্তি করানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। এই নামে প্রতি বছর অতিরিক্ত ফি আদায় শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্রমেই ব্যবসায়িক রূপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এশা রহমান নামের একজন লেখেন, ‘একই ছাত্র যখন একই স্কুলে এক শ্রেণি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী শ্রেণিতে যায়, তখন তাকে নতুন করে পুনরায় ভর্তি করানোর যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ। শিক্ষার্থী তো বিদ্যালয় পরিবর্তন করছে না—শুধু তার শ্রেণি পরিবর্তন হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই নামে প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি আদায় করার প্রথা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে আরও ব্যয়বহুল করে তুলছে। এতে করে অভিভাবকদের ওপর অযৌক্তিক আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে এই ব্যবস্থার অসামঞ্জস্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’

ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হসপিটাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাকলায়েন রাসেল পোস্টে বিষয়টিকে ব্যক্তিগত সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে সামগ্রিক সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আহ্বান জানান। তিনি লেখেন, ‘আমার সামর্থ্য আছে—আমার তাই প্রতিবাদের দরকার নেই—বিষয়টা এমন না। প্রতিবাদ হোক আপামর জনসাধারণের কথা ভেবে।’

সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিওতে শিশু, মানবাধিকার ও জলবায়ুকর্মী ফাতিহা আয়াত বলেন, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে একবার ভর্তি ফি নেওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু একই শিক্ষার্থী যখন একই স্কুলে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়, তখন আবার নতুন করে ভর্তি ফি নেওয়ার যৌক্তিকতা কোথায়? সে তো শুরুতেই প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করে ভর্তি হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে যদি ব্যবসায় পরিণত করা হয়, তাহলে এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো। যাদের আর্থিক সামর্থ্য সীমিত, তারা বারবার অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক ফি দিতে পারবে না। আমি আশা করবো, বাংলাদেশের স্কুলগুলো লাভের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে এ ধরনের ব্যাবসায়িক চর্চা পরিহার করবে। কারণ আমরা যদি বর্তমান প্রজন্মের কাছে লাভ খুঁজি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্ভাবনার সুযোগ আর থাকবে না।

আবু ইউসুফ নামের এক অভিভাবক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ছেলেকে কলেজে ভর্তি করালাম কিছুদিন আগে। এখন দ্বিতীয় বর্ষে উঠবে। আবার নাকি ভর্তি হতে হবে। আবার ফি দিতে হবে। কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বললাম। তারা জানালো, এটাই নাকি নিয়ম।

কামরুর হাসান নামের এক অভিভাবক লেখেন, ‘আওয়াজ তুলুন, এক‌ই স্কুলে প্রতি শ্রেণীতে প্রতি বছর পূর্ণ ভর্তি ফি, কেন ইহা একটি নিরব চাঁদাবাজি, শিক্ষা খাতে চাঁদাবাজি বন্ধ করা হোক।’

মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন শিল্পকারখানা গুটিয়ে নিতে বলল ইরান
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
মার্কিন সামরিক বিমান চলাচলের অনুরোধ প্রত্যাখান করল সুইজারল্…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিদ্ধান্ত…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রত্যাশিত চাঁদা না পেয়ে হাতুরিপেটা, ফের আটক উপজেলা ছাত্রদল…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
একুশে বইমেলা উপলক্ষে ড্যাফোডিল প্রেসের ৭টি নতুন বই উন্মোচন
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
নিজেদের আদর্শিক ক্যাচাল দূরে রেখে বাংলাদেশ প্রশ্নে আমাদের এ…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081