জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মামুনুল হক © ভিভিও থেকে নেওয়া
১১ দলীয় জোটে ইসলামী আন্দোলন আসার বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘আমরা ১১ দলীয় ঐক্যের পথেই চলছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ আমরা অনেকদূর একসাথে পথ চলেছি। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে ইসলামী আন্দোলন কিছু বিষয়ে একমত হতে না পেরে গতকালকে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।’
আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মামুনুল হক বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলনের নেতারা চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচনে সকল আসনে তারা প্রতিদ্বন্ধীতা করবেন। সে হিসেবে তারা অন্য কারো সঙ্গে আসন সমঝোতা করছেন না। তাই এ মূহুর্ত আমরা আর আসন সমঝোতার কোনো আশা রাখছি না। পরবর্তীতে এতটুকু বলতে পারি, রাজনীতিতে শেষ বলতে কিছুই নেই। নির্বাচনী বাস্তবতার সম্মুখিন হয়ে আমাদের সবার মাঝে হয়তো আবার নতুন করে উপলব্দি সৃষ্টি হতে পারে। প্রতিদ্বন্ধীতার মাঠ থেকে জনআঙ্খার ভিত্তি ও প্রত্যাশা থেকে আমাদের সমঝোতা ভেঙ্গে পড়া পুনরায় নির্মিত হতে পারে। শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত আমরা এ প্রত্যাশা রাখব।’
এ নির্বাচনে সমঝোতা বা ঐক্য হচ্ছে কিনা সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক বলেন, ‘এ নির্বাচনের কথাই বলছি আমি। নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের সে আশাবাদ আর রাখছি না। তবে নির্বাচনের তো বেশ অনেক দিন বাকিই আছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। যেকোনো সময় বা এর আগেও একটা সমাঝোতা হতেও পারে। যেহেতু এক বক্স নীতির ক্ষেত্রে সারাদেশে জনআকাঙ্খা বা জনপ্রত্যাশা রয়েছে। আর একবক্স নীতি সারাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমরা এ নীতির ব্যাপারে সম্মিলিতভাবে সবাই বলেছি। কাজেই সে জায়গা থেকে গণমানুষের প্রতি একটা দায়বদ্ধতা আমাদের সবার রয়েছে। মাঠ পর্যায়ে যাওয়ার পরে জনগণের কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া আসবে, সেটার কারণে হয়তো আমাদের মাঝে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সে জায়গা থেকে আমরা এখনো আশাবাদী, সেটা হয়তো আবার পুনঃনির্মিত হতে পারে।
গতকালকে ইসলামী আন্দোলনের আনুষ্ঠানিকতার পর এখন আর আনুষ্ঠানিকতার সুযোগ নেই বলে জানান মামুনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমাদের শরীকদলের আসন সমঝোতা যেহেতু হয়ে গেছে। তাই যেসব আসনে সমঝোতা হয়েছে ১৯ তারিখে আমরা একসাথে মনোনয়ন প্রতাহ্যার করব। কাজেই আমাদের হাতে ১৯ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে। তাই ১৯ তারিখে আগে এ মুহুর্ত পর্যন্ত কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। তারা যেহেতু গতকালকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০০ আসনে একক নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। বরং আমরা এটিই ধরে নিয়েছি।’