মেট্রো স্টেশনের প্লাটফর্মেও খালেদা জিয়ার জানাজা আদায় করলেন হাজার মানুষ © ভিডিও থেকে নেওয়া
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবকে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ২ মিনিটে জানাজা শুরু হয়ে চার মিনিটে শেষ হয়। বেগম জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার ভেন্যু ছিল জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ। তবে এই জায়গা ছাড়িয়ে একদিকে সোবহানবাগ, অন্যদিকে বাংলামোটর, আরেকদিকে বিজয় সরণী ও শ্যামলীতে গিয়ে ঠেকে নামাজের কাতার। তবে শুধু মাঠ আর সড়ক নয়, স্থান সংকুলানের অভাবে বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের ভিতরেও নামাজের সারি দাঁড়িয়েছে।
জানা গেছে, নামাজে অংশ নিতে ইচ্ছুক মানুষের আগমনে সকাল থেকেই ভীড় জমতে থাকে জানাজা স্থলে। নির্ধারিত জায়গায় যেতে না পেরে রাজধানীর আগারগাঁও, উড়াল সড়কে মহাখালী, আসাদ গেট, ধানমন্ডি ২৭, ও মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মানুষ অবস্থান নেন। এরই মধ্যে যে যেখানে পেরেছেন দাঁড়িয়েছেন নামাজে। এক্ষেত্রে কাতারবন্দী হয়ে মোবাইলে লাইভ দেখে নামাজ আদায় করেছেন তারা।
মগবাজার থেকে জানাজার উদ্দেশে দুপুর ১২ টার কিছু পরে বের হন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত রায়হান হোসাইন। তবে শেষ পর্যন্ত কারওয়ান বাজারে গিয়ে নামাজে অংশ নেন তিনি। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে রায়হান বলেন, প্রায় একঘণ্টা জ্যামে বসে থাকার পর হাঁটা শুরু করি, কিন্তু কারওয়ান বাজারের পর আর যেতে পারিনি। তখন সেখানেই দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিই।
জানজায় মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জানাজায় জাতি তাকে সবচেয়ে সম্মানের বিদায় দিয়েছিলো। আজ বেগম খালেদা জিয়াকে দেয়া হলো এক ঐতিহাসিক বিদায়। মানিক মিয়া এভিনিউ-সংসদ ভবন দক্ষিণ প্লাজা থেকে শুরু করে একদিকে সোবহানবাগ, অন্যদিকে কারওয়ান বাজার, আরেকদিকে বিজয় সরণী, শ্যামলী হয়ে এই যে জনতার স্রোত এটা বাংলাদেশের মানুষের কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। এটা সবার ভাগ্যে জোটে না।