শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর দাবি, বাধ্য নয় দিল্লি

২৪ আগস্ট ২০২৪, ০৫:৩৬ PM , আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৫, ১১:২৯ AM
শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা © ফাইল ছবি

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। ছাত্রহত্যাসহ নানা অভিযোগে শেখ হাসিনার বিচার দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বিএনপিসহ বড় বড় দলগুলো শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এর ফলে প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশ চাইলে ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে কি না।

বাংলাদেশ চাইলে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার। আনন্দবাজার বলেছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা দিল্লিকে বলা হয়নি। কিন্তু আগের সরকারের সব কর্তাব্যক্তির কূটনৈতিক পাসপোর্ট (লাল পাসপোর্ট) বাতিল করায় হাসিনাও সেই রক্ষাকবচ হারাচ্ছেন। সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা রোজ চাপানো হচ্ছে, যার অধিকাংশই হত্যা ও গণহত্যার মতো গুরুতর অভিযোগে করা। এই পরিস্থিতিতে হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। তাঁর কথায়, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ২০১৩-য় প্রত্যর্পণ চুক্তি হওয়ার পরে হাসিনাকে ভারত ঢাকার হাতে তুলে দিতে বাধ্য।” ফখরুল জানিয়েছেন, প্রত্যর্পণের পরে খুনের আসামি হিসাবে হাসিনার বিচার করা হবে ঢাকার আদালতে।

তবে হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ২০১৩-র প্রত্যর্পণ চুক্তির তেমন কোনও গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করছে না ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই চুক্তি করা হয়েছিল দু’দেশের মধ্যে জঙ্গি, পাচারকারী ও চোরাচালানিদের প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে। ২০১৬-য় এই চুক্তিতে বেশ কিছু সংশোধন আনা হয়েছিল। কোনও দেশ যদি মনে করে, রাজনৈতিক কারণে কাউকে প্রত্যর্পণের দাবি জানানো হচ্ছে, তবে তারা দাবি মানতে বাধ্য নয়। এখানে হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি ভারত যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ বলে মনে করে, বলার কিছু থাকতে পারে না। আবার চুক্তির আর একটি ধারায় রয়েছে, প্রত্যর্পণের পরে দীর্ঘ কারাবাস ও প্রাণহানির আশঙ্কা থাকলে অন্য পক্ষের দাবি খারিজ
করা যাবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ১৯৭৫-এর ১৫ অগস্ট হাসিনার গোটা পরিবার সেনা অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পরে ইন্দিরা গান্ধী তাঁদের দুই বোনকে আশ্রয় দেন। সময়ের ব্যবধানে ফের শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে একটি ‘প্রতিহিংসাপরায়ণ’ সরকারের হাতে ভারত কখনও তাঁদের ছেড়ে দিতে পারে না। তাই তৃতীয় কোনও দেশে তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

জাল প্রবেশপত্র নিয়ে ইবি কেন্দ্রে ভর্তিচ্ছু; মুচলেকায় মুক্তি
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গোপালগঞ্জে ভর্তি ৪৩, মৃত্যু ১
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
দেশের ২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে নকলে শীর্ষে কুমিল্লা ভিক্…
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
আলজেরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ছ…
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
গরমে বরফ দিয়ে শরবত নাকি বরফ ছাড়া শরবত—কোনটা উপকারী
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬
আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার ভরি?
  • ০৩ এপ্রিল ২০২৬