ক্রীড়ামন্ত্রী হতে পারেন যিনি

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৯ PM
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় © সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার রূপরেখা প্রায় চূড়ান্ত করেই ফেলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এতে দলের সিনিয়র নেতাদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গুরুত্ব পাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকরাও। তবে ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে ভিন্ন এক চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে দলটি।

দলটির ২১২ জন সংসদ সদস্যের বিশাল বহরে সরাসরি মাঠের খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মাত্র দুজন। তাদের একজন হলেন চাঁদপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক ভলিবল খেলোয়াড় এহসানুল হক মিলন। ক্রীড়াজীবন থেকে রাজনীতিতে আসা মিলন আগেও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। এবারও একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীত্ব পাওয়ার আলোচনায় আছেন তিনি। অন্যজন হলেন সাবেক ফুটবলার ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তবে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকলেও তিনিও অন্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীত্ব পাওয়ার আলোচনায় রয়েছেন।

এর বাইরে মাঠের খেলায় সরাসরি সম্পৃক্ত আরেক গুরুত্বপূর্ণ নাম জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেনের কাছে পরাজিত হন। অবশ্য নির্বাচনে হারলেও রাজনৈতিক সমীকরণে তাকে পুরোপুরি ছিটকে দেওয়া যাচ্ছে না। গুঞ্জন উঠেছে, টেকনোক্র্যাট কোটা থেকে তাকে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। যদিও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সেই সম্ভাবনা আপাতত খুবই ক্ষীণ।

এদিকে ক্রীড়ামন্ত্রী পদ নিয়ে হেভিওয়েট দুই নেতা ইশরাক হোসেন ও আলী আসগর লবিকে ঘিরেও জোরালো আলোচনা চলছে। এর মধ্যে খুলনা-৫ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন লবি। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে পরাজিত করেন তিনি। 

এর আগে ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের সময় ক্রীড়াঙ্গনের বিশেষ করে ক্রিকেট প্রশাসনে অত্যন্ত পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। একই সময়ে টানা পাঁচ বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে বেশ কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়।

পাশাপাশি ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দুই বছর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটেও সক্রিয় ছিলেন; ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ক্লাবের পরিচালক হিসেবে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন তিনি। ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে তার এই দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক সম্পৃক্ততাই তাকে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে রাখছে।

অন্যদিকে অতীত অভিজ্ঞতার দিকে তাকালে দেখা যায়, বিএনপি দুবার সরকার গঠন করলেও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সচরাচর প্রতিমন্ত্রীর অধীনেই ছিল। ১৯৯১ সালে স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করেন মির্জা আব্বাস (২০ মার্চ ১৯৯১ থেকে ১৯ মে ১৯৯১ পর্যন্ত)। এরপর দায়িত্ব নেন সাদেক হোসেন খোকা এবং ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পরে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে পুরো সময় ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন ফজলুর রহমান পটল। তবে প্রত্যেকেই ছিলেন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে।

‎রুয়েট শিক্ষার্থীদের হেনস্থার অভিযোগে আরপি স্পেশাল বাস আটকে…
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
যে ৩০ সংকেত দেখলে বুঝবেন আপনারও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ চে…
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন কখন করবেন, করণীয় কি …
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
‘ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষায় একজন জামায়াতের প্রার্থী থা…
  • ৩১ জুলাই ২০২৬
কলাবাগানের হোস্টেলে দরজা ভেঙে নার্সিং শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মর…
  • ৩১ জুলাই ২০২৬