স্কুল পর্যায়ে বাধ্যতামূলক হতে পারে যে ৫ খেলা

২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০১ PM
স্কুলে খেলাধুলা করছে শিক্ষার্থীরা

স্কুলে খেলাধুলা করছে শিক্ষার্থীরা © সংগৃহীত

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার তৃতীয় কর্মদিবসেই ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন মো. আমিনুল হক। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভার শুরুতেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ক্রীড়াবিষয়ক লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন আমিনুল এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফেডারেশনগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে মতামত চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এ সময়ে অলিম্পিকে পদক জয়ের লক্ষ্য সামনে রেখে ধাপে ধাপে সাফ ও এশিয়ান পর্যায়ে উন্নতির কথাও জানান তিনি।

এদিকে মতবিনিময় সভায় অগ্রাধিকার খেলাগুলোর মধ্যে শুটিং, আর্চারি ও হকির কথা বলেন সাংবাদিকরা এবং ফেডারেশনগুলোর দ্বন্দ্ব ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন তারা। এ ছাড়া ৫২টি ফেডারেশনের যৌক্তিকতা পর্যালোচনায় মূল্যায়ন কমিটি গঠনের পরামর্শও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর স্কুল পর্যায়ে পাঁচটি খেলা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ফুটবল-ক্রিকেটের পাশাপাশি কারাতে, দাবা, হ্যান্ডবল ও অ্যাথলেটিক্সের প্রস্তাবও মতবিনিময় সভায় উঠে এসেছে। এ ছাড়া বিকেএসপির জবাবদিহিতা, জাতীয় স্টেডিয়ামের রাজস্ব ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সমন্বয় ঘাটতির বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়।

তবে সব সমস্যার সমাধানই ধীরে ধীরে করতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষ্যমতে, ‘আমরা আপনাদের প্রস্তাব, মতামতগুলো শুনেছি। এটা আজ শুনলাম শেষ না, এখান থেকে কাজের শুরু। এগুলো পর্যালোচনা হবে, প্রয়োজনে কমিশন বা কমিটি হয়ে তদারকি চলবে।’

এদিকে স্কুলজীবন থেকেই তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের লক্ষ্য স্থির করে ফেলে অনেক শিক্ষার্থী। কেউ স্বপ্ন দেখে ডাক্তার হওয়ার, কেউ প্রকৌশলী হয়ে দেশ গড়ার। কেউ আবার শিক্ষক, প্রশাসক কিংবা বিজ্ঞানী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। কিন্তু খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও অনেকেই সেই পথে এগোতে পারে না। বিশেষ করে অভিভাবকেরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার কথা ভেবে এমন পেশার দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন, যেখানে স্থিতিশীল আয় ও নিশ্চিত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ বেশি।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ সুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা না থাকায় অনেক অভিভাবকই সন্তানের খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে দ্বিধাবোধ করেন। তবে অভিভাবকদের মানসিকতার পরিবর্তন, সরকারের কার্যকর উদ্যোগ এবং সমাজের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি- এই তিনটির সমন্বয়েই ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রজন্মের উত্থান সম্ভব। সেই পরিবর্তনের পথিকৃৎ হতে চান আমিনুল।

এ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক বাবা-মা চান তাঁর সন্তান লেখাপড়া করে কেউ ডাক্তার হবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার হবে, কেউ ব্যারিস্টার হবে। কিন্তু খেলোয়াড় হবে এই কথা কেউ বলে না। কিন্তু আমরা সেই শুরুটা করতে চাই যে প্রত্যেক বাবা-মা যাতে তাদের সন্তানকে একজন খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করতে পারে। আমরা বলব না যে এটা রাতারাতি আমরা করে ফেলতে পারব। তবে আমরা শুরুটা করতে চাই। যে শুরুগুলোর কথা আমি যখন খেলোয়াড় ছিলাম, তখনও বলেছি। বিগত ১৭ বছর যখন রাজনীতির মাঠে ছিলাম মাঝেমাঝে আপনাদের সাথে দেখা হয়েছে কথা হয়েছে তখনো বলেছি।’ 

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে ৫০ ঘণ্টা আলোচনায় খরচ হবে ৮১ কো…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
১৯৯৬ থেকে ২০০৯—ম্যানেজিং কমিটিতে কখনও সরাসরি শিক্ষাগত যোগ্য…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে ৫৬টি জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থাপনা …
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
মোস্তাফিজের বদলি নিয়েও বিপাকে আইপিএল
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
ঢাবি ভিসির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি, অ্যাকসেপ্ট করিনি: শিক্ষ…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন করে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081