নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাসে আশার আলো ছড়াচ্ছে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার: বিএমইউ উপাচার্য

২০ মে ২০২৬, ১০:০৩ PM
সেমিনারে বক্তারা

সেমিনারে বক্তারা © সংগৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেছেন, প্রিম্যাচিউর বা অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকসহ সকল নবজাতকের মৃত্যুহার হ্রাস, রোগ প্রতিরোধ ও জীবন রক্ষায় আশার আলো ছাড়াচ্ছে ক্যাগারু মাদার কেয়ার বা কেএমসি মডেল। নবজাতকের জীবন রক্ষায় কেএমসির বিরাট অবদান ও গুরুত্ব বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। এজন্য এটি নীতির্ধিারণী ফোরামে আলোচনা ও জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা জরুরি।

আজ বুধবার (২০ মে) বিএমইউর শহীদ ডা. মিল্টন হলে আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার ও শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. আতিয়ার রহমান।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মানান বলেন, অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকদের জীবন বাঁচাতে ক্যাগারু মাদার কেয়ার হলো অনুসরণীয় ও আদর্শ পদ্ধতি। কেএমসি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এতে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী। তিনি জানান, ১৫ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার সচেতনতা দিবস। এটি একটি বৈশ্বিক দিবস, যা ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, কমিউনিটি ও পরিবার একসঙ্গে উদযাপন করে আসছে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্থিরতাই শক্তি’।

ডা. রুম্পা মনি চৌধুরী বলেন, কেএমসি নবজাতকের মৃত্যুহার এবং ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মৃত্যুঝুঁকি কমায়। এটি হাইপোথার্মিয়া, হাইপোগ্লাইসেমিয়া এবং মারাত্মক সংক্রমণ বা সেপসিস প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া এটি দ্রুত বুকের দুধ খাওয়ানো শুরু করতে, একচেটিয়া বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়কাল বাড়াতে এবং শিশুর ভালো ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তিনি আরও বলেন, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার হলো অপরিণত এবং কম ওজনের নবজাতকের জন্য একটি প্রোটোকলভিত্তিক সেবা পদ্ধতি, যা নবজাতক ও মায়ের অথবা সেবাদানকারীর মধ্যে ত্বক থেকে ত্বকের সংস্পর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মাতৃসেবা সমন্বয়ে নবজাতক নার্সদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রগুলোতে তাৎক্ষণিক কেএমসি চালুর উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সেমিনারে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জোরালোভাবে সুপারিশ করে যে, জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব কেএমসি শুরু করা উচিত এবং শিশুর স্থিতিশীল হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়। এতে আরও জানানো হয়, মাদার নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট হলো আরেকটি সেবা মডেল, যা জন্ম থেকে হাসপাতাল ত্যাগ পর্যন্ত মা ও শিশুর মধ্যে কোনো বিচ্ছিন্নতা হতে দেয় না। এর মাধ্যমে নবজাতকের নিবিড় বা বিশেষ সেবার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার নিশ্চিত করা যায়।

এতে বিএমইউর নবজাতক শিশু বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাসীকে হত্যার পর  লাশ আট টুকরো, মুল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্…
  • ২০ মে ২০২৬
মাস্টার্সের রেজাল্ট পাওয়ার দিনই হল ছেড়ে দিলেন শিবির নেতা স…
  • ২০ মে ২০২৬
বেরোবিতে ভর্তি ফি কমানো ও বিভাগীয় শহরে বাস চালুর দাবিতে ছা…
  • ২০ মে ২০২৬
বিজ্ঞানভিত্তিক একাডেমিয়া থেকে প্রথম উপাচার্য পেল নজরুল বিশ্…
  • ২০ মে ২০২৬
শাটডাউন কর্মসূচির পর ডুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা
  • ২০ মে ২০২৬
কে হতে যাচ্ছেন ম্যানসিটির পরবর্তী কোচ?
  • ২০ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081