হঠাৎ নয়, দীর্ঘদিনের অবহেলায় হার্ট অ্যাটাক—ছোট অভ্যাসেই কমতে পারে ৮০ শতাংশ ঝুঁকি

২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৮ AM
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে অনেকের

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে অনেকের © এআই সৃষ্ট ছবি

বাইরে থেকে দেখতে সুস্থ মানুষ হঠাৎ করে মারা গেলে বা অসুস্থ হলে অনেকে ধারণা করেন, হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন বা অসুস্থ হয়েছেন। অনেকের ধারণা এই হার্ট অ্যাটাক আচমকা ঘটে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, এটি একদিনের ঘটনা নয়; বরং বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং অবহেলার ফল। 

রক্তনালীর ভেতরে ধীরে ধীরে চর্বি জমা, উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো নীরব সমস্যাগুলো এক সময় বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশ্বজুড়ে হৃদরোগে মৃত্যুর হার উদ্বেগজনক হলেও আশার খবর, সঠিক জীবনধারা অনুসরণ করলে প্রায় ৮০ শতাংশ হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধযোগ্য। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় পরিবর্তন নয়, বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট সচেতন সিদ্ধান্তই পারে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে।

সুষম খাদ্যই গ্রহণ জরুরি
হার্ট ভালো রাখতে খাদ্যাভ্যাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের খাবারে ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, বাদাম এবং লিন প্রোটিন রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণ, চিনি, তেলযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার শরীরে কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং রক্তনালী সংকুচিত করে। দীর্ঘমেয়াদে এগুলোই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।

নিয়মিত শরীরচর্চা
শরীর সচল রাখা মানেই হার্টকে সচল রাখা। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, সাইক্লিং বা হালকা ব্যায়াম হৃদযন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা হৃদরোগের অন্যতম বড় ঝুঁকি কমাতে কার্যকর।

আরও পড়ুন: পেন্টাগনে হঠাৎ বাড়ছে পিৎজা ডেলিভারি, সামরিক তৎপরতার ইঙ্গিত

নীরব ঘাতক: লক্ষণহীন ঝুঁকিগুলো
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ কোলেস্টেরল এই তিনটি সমস্যা অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই শরীরের ক্ষতি করে। এগুলোকে বলা হয় ‘সাইলেন্ট রিস্ক ফ্যাক্টর’। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি। এতে আগেভাগেই ঝুঁকি শনাক্ত করে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

মানসিক চাপ ও ঘুমের ঘাটতি
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হৃদযন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্ট্রেস হরমোন শরীরে বেড়ে গেলে রক্তচাপ বাড়ে এবং হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম এবং নিয়মিত মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

নিয়মিত যত্নই চূড়ান্ত সমাধান
হার্টের যত্ন নেওয়া একদিনের কাজ নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি অভ্যাসের ফল। সুষম খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ- এ চারটি বিষয় মাথায় রেখে মেনে চললে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। (সূত্র: এই সময়)

প্রাথমিকে এক বিদ্যালয়ের ৫৩ পরীক্ষার্থীর ৫২ জনই বৃত্তি পেল
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী, কার হাতে উঠছে এবারের বিশ্বকা…
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
দুই স্ত্রী নিয়ে ইয়াবাসহ স্বামী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদ…
  • ১২ জুলাই ২০২৬
জুলাইকে ব্যঙ্গ করে এবার চবি অধ্যাপকের পোস্ট
  • ১২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ হারায় কোচকে বরখাস্ত করল সেনেগাল
  • ১২ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মহারণ: কী বলছে অপ্টা সুপারকম্পিউটার?
  • ১২ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence