বুটেক্সের প্রবাসী অ্যালামনাইদের ঈদ ভাবনা

২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪১ AM , আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:৪১ AM
বুটেক্স

বুটেক্স © সংগৃহীত

এক মাস সিয়াম সাধনার পর উৎসবের বার্তা বয়ে আনে পবিত্র ঈদুল ফিতর। শাওয়ালের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হবে নানা আয়োজন। মুসলিমদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবকে ঘিরে এখন থেকেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন অনেকে। ঘুরাফেরা, খাওয়া-দাওয়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোসহ নানাভাবে ঈদ উদযাপন করে থাকি আমরা।

তবে জন্মভূমি ছেড়ে দূর প্রবাসে যারা আছেন, তাদের উদযাপনে থাকে ভিন্নতা। প্রবাসী শিক্ষার্থীদের ঈদ আনন্দ অনেকটা মিশ্র অনুভূতি—স্মৃতি, দায়িত্ব এবং আবেগের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ। দেশে পরিবার ও বন্ধুদের অভাব অনুভব করলেও, প্রবাসে সহপাঠী ও কমিউনিটির সাথে নতুন পরিবেশে তারা আনন্দ ভাগ করে নেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে রয়েছেন। কেউ উচ্চ শিক্ষা অর্জনে গিয়েছেন, কেউবা উচ্চ শিক্ষা শেষে প্রবাসেই চাকুরী করছেন। বুটেক্সের এমন কয়েকজন প্রবাসী অ্যালামনাইদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে ঈদ নিয়ে তাদের ভাবনা ও পরিকল্পনা। চলুন শুনি তাদের কথা—

“দেশের ঈদই তুলনামূলকভাবে বেশি আপন”

আমি প্রবাসে প্রায় ১৬ বছর ধরে বসবাস করছি। এখানে ঈদের দিন সাধারণত সকালে ঈদের নামাজ দিয়ে শুরু হয়। এরপর বন্ধু, সহকর্মী ও পরিচিতদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, একসাথে খাওয়া-দাওয়া এবং ছোটখাটো সামাজিক আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করি। পাশাপাশি পরিবারের সাথে দূর থেকে হলেও ফোন বা ভিডিও কলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার চেষ্টা করি।

প্রবাসে আমার প্রথম ঈদটি ছিল ম্যানচেস্টারে, যখন আমি মাস্টার্স করছিলাম যা আজও বিশেষভাবে স্মরণীয়। সেদিন ঈদের নামাজ আদায় করার পর সরাসরি সারাদিনের লেকচারে যেতে এবং বিকেল পর্যন্ত ক্লাস করতে হয়েছিলো। আমার স্ত্রী সেদিন বাসায় একা ছিল—তাই মনটা কিছুটা খারাপ ছিল, কারণ পরিচিত পারিবারিক ঈদের আনন্দটা অনুপস্থিত ছিল। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলে আমাদের শক্তিশালী বাংলাদেশি কমিউনিটির কারণে একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি হয়। ঈদের সময় আমরা একে অপরের বাসায় যাই, খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা আর শিশুদের আনন্দে দিনগুলো ভরে থাকে—কখনো কখনো এই উদযাপন কয়েক দিন ধরেও চলে। তবে দেশে ঈদের আনন্দ স্বভাবতই বেশি প্রাণবন্ত—পরিবার, আত্মীয়স্বজন আর ছোটদের উচ্ছ্বাসে এক অন্যরকম উৎসবের আবহ তৈরি হয়। প্রবাসে সেই পারিবারিক উষ্ণতা কিছুটা কম থাকলেও কমিউনিটির কারণে আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগ থাকে। তবুও হৃদয়ের টানে দেশের ঈদই তুলনামূলকভাবে বেশি আপন মনে হয়। সবচেয়ে বেশি মনে করি পরিবারের সাথে ঈদের সকালটা কাটানো, একসাথে নামাজে যাওয়া এবং ঘরে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবার। এছাড়া ছোটবেলার ঈদের সেই নির্ভার আনন্দ—বন্ধুদের সাথে ঘোরাঘুরি, আত্মীয়দের বাড়ি যাওয়ার পাশাপাশি ঈদের রাতের দীর্ঘ আড্ডাগুলোও স্মৃতি হয়ে থাকবে।

নাজমুল করিম
অধ্যাপক, সাউদাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য

”প্রবাসে বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের মিলনমেলা হয়”

সুইডেনে ঈদের দিনগুলো সাধারণ কর্মব্যস্ত দিনের মতোই শুরু হয় সাপ্তাহিক ছুটি না হলে। আমি যেই এলাকাতে থাকি সেখানে সকালবেলা ঈদের নামাজ হয় এবং আমি সেখানে সকালে ঈদের নামাজ পড়ি। অসংখ্য ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়েন। একেকজনের পোশাক ভিন্ন, ভাষা আলাদা, কিন্তু চোখের উজ্জ্বলতা আর হৃদয়ের আনন্দ একই রকম। বড় মসজিদে অথবা বড় কোনো গ্রাউন্ডে ঈদের নামাজে বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের মিলনমেলা দেখা যায়, যা খুব সুন্দর। এখানে ঈদের বিশেষ দিক হলো সম্মান ও সহনশীলতার পরিবেশ। ভিন্ন ধর্মের ও ভিন্ন সংস্কৃতির সুইডিশরাও পাশে এসে উৎসবের শুভেচ্ছা জানায়। আমি সবচেয়ে উপভোগ করি, কাজের মাঝেও যখন আইকিয়াতে আমার সহকর্মীরা আমাকে 'ঈদ মোবারক' বলে শুভেচ্ছা জানায়। আর যদি সাপ্তাহিক ছুটির দিন হয়, তাহলে এখানকার বাঙালি সম্প্রদায়ের মানুষদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করা হয়। তবে এত কিছুর মাঝেও দেশের চাঁদ রাতের হইচই, পরিবারের সাথে ঈদ শপিং এবং মায়ের হাতের রান্না খুব মনে পড়ে। এখন ছোটবেলার মতো সালামি নেওয়া হয় না, বরং আধুনিক মাধ্যমেই পরিবারের ছোটদের সালামি পাঠিয়ে আনন্দ খুঁজে নেই। বড়দের স্নেহমাখা সেই সরাসরি সালামি দেওয়ার চিরাচরিত প্রথাটি প্রবাস জীবনে প্রবলভাবে মনে করি আমি।

খন্দকার নাফিসুর রহমান
প্রোডাক্ট রিকোয়ারমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার, আইকিয়া–গ্লোবাল হেডকোয়ার্টার্স অফিস, সুইডেন


”ঈদের পরিচিত আমেজটা তেমন অনুভূত হয় না”

জার্মানিতে প্রায় সাড়ে সাত বছর বসবাসের অভিজ্ঞতায় প্রতিটি ঈদই ছিল একেবারে ভিন্ন রকম। কোনো কোনো ঈদে কাজ করতে হয়েছে, আবার কোনো ঈদে বাবা-মা, বোন কিংবা শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পাশে ছিলো। কখনো ঈদ কাটিয়েছি যুক্তরাজ্যে থাকা বোনের সঙ্গে, আবার কখনো জার্মানির বাইরে ভ্রমণে গিয়ে। কিছু ঈদে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি, আবার কিছু সময়ে বন্ধুরাই এসে যোগ দিয়েছে আনন্দে। তাই বলা যায়, প্রতিটি ঈদের অভিজ্ঞতাই ছিল আলাদা। তবে এই ভিন্নতার মাঝেও সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি অনুভূত হয়েছে, তা হলো নিজের দেশের খাবারের অভাব। এখানে একসঙ্গে অনেক ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবার প্রস্তুত করা বেশ কঠিন। ফলে ঈদের সেই পরিচিত আমেজটাও তেমনভাবে অনুভব করা যায় না। অনেক সময় ঈদের দিনটিও যেন একেবারে সাধারণ দিনের মতোই মনে হয়। তবুও কিছু অভিজ্ঞতা ভুলার মতো নয়। বিশেষ করে ঈদগাহ ময়দানে নামাজ আদায়ের মুহূর্তটি ছিল অসাধারণ—জার্মানির মতো দেশে একসঙ্গে প্রায় তিন হাজার মানুষের ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া সত্যিই বিস্ময়কর। সব মিলিয়ে ঈদের দিনটিতে বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট রীতি বা কার্যক্রম নেই, নেই একরকম ধারাবাহিকতাও। তবে পরিবার, বন্ধু এবং দেশি খাবারের অভাবটাই সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। যদিও বিশ্বের নানা দেশের খাবারের সমাহার এখানে দেখা যায়, তবুও আপনজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আনন্দের সঙ্গে তার তুলনা হয় না। পরিবারের সদস্যরা যখন এখানে এসে একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করেন, তখন সেই মুহূর্তগুলোই হয়ে ওঠে সবচেয়ে আনন্দময়।

মো. কামরুল হাসান নাহিদ
ম্যানেজার–অ্যাপারেল প্রোডাকশন ডেভেলপমেন্ট, অ্যাডিডাস, জার্মানি


”দূরত্বের মাঝে তৈরি হয় এক টুকরো আপন ঠিকানা”

প্রায় ছয় বছর ধরে আমি প্রবাসে আছি। গবেষণা, দায়িত্ব, ভ্রমণ–এই নিয়েই প্রবাসের দিন কেটে যায়। ঈদের দিনটাও ব্যতিক্রম নয়। বছর ঘুরে যখন ঈদ আসে, তখন দায়িত্ব বা স্বপ্ন বুননের বেড়াজালে আটকে থাকলে কোথাও না কোথাও মনটা হঠাৎ করেই থেমে যায়। ফিরে যেতে চায় চেনা উঠোনে, পরিচিত কোলাহলে কিংবা আপনজনের পাশে। প্রবাসে ঈদের সকাল শুরু হয় একধরনের নীরবতায়, তবে সেই নীরবতার ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত গভীরতা। ঈদের নামাজে একসাথে যাওয়া, নামাজ শেষে পরিচিত বাঙালি মুখগুলোর সাথে দেখা হওয়া, কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় আর ছবিতে ধরে রাখা ছোট ছোট আনন্দ আর এসব মিলিয়েই ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পায় প্রবাসের ঈদের সকাল। পারত পক্ষে আমি ঈদের দিন ল্যাবের কোন কাজ রাখি না তাই নামাজ শেষে বন্ধুদের নিয়ে একসাথে রান্না করা কিংবা নিজের বাসায় বা কারো বাসায় দাওয়াত থাকলে ঈদের আমেজে খাওয়া-দাওয়া করা হয়। রান্না বা দাওয়াতের সেমাইয়ের গন্ধে কিংবা বিরিয়ানির ধোঁয়ায় আমরা যেন একটু করে দেশকে ছুঁয়ে ফেলি। এখানে আনন্দটা একটু বানিয়ে নিতে হয়, যত্ন করে গড়ে তুলতে হয়। আর সেই গড়ার মাঝেই তৈরি হয় নতুন এক ধরনের সম্পর্ক, বন্ধুরা হয়ে ওঠে পরিবার, দূরত্বের মাঝেও তৈরি হয় এক টুকরো আপন ঠিকানা। তবে দেশের ঈদের সাথে এর পার্থক্যটা সবসময়ই অনুভূত হয়। সেখানে ঈদ মানেই ছিল এক অদ্ভুত ব্যস্ত আনন্দ, সকালের তাড়াহুড়া, নতুন কাপড়ের গন্ধ, আত্মীয়দের আনাগোনা, ঘরভরা মানুষের উষ্ণতা আর মায়ের হাতের রান্না। এখানে সেই কোলাহল নেই, নেই সেই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস। তবুও শত ব্যস্ততার মাঝে আশে পাশের বাঙ্গালি বন্ধুদের নিয়ে সন্ধ্যায় একসাথে বসে আড্ডা দেয়া, মুখরোচক খাবার খাওয়ার মাধ্যমেই চেষ্টা করি স্মৃতিগুলোকে সঙ্গী করে নতুন আনন্দ তৈরি করতে। ঈদের দিনের কার্য শেষে প্রস্তুতি নিতে হয় আবার পরের দিনের কর্মজীবনের।

মো. আবুল সাহিদ (সজল)
পিএইচডি শিক্ষার্থী, নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র


”এবারো পরিবার ছাড়া ঈদ কাটানো”

বুটেক্স থেকে স্নাতক শেষে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় স্নাতকোত্তর করতে আসার প্রায় এক বছর পার হয়েছে। গতবারের মতো এবারও পরিবার ছাড়াই আমাকে ঈদ কাটাতে হবে। অস্ট্রেলিয়ায় ঈদের দিন বাংলাদেশের মতো নতুন পোশাক পরে মসজিদ বা ঈদগাহে নামাজে যাওয়া হয়। এখানে মেয়েরাও ঈদের নামাজে যোগদান করে যদিও বাংলাদেশে এই সুযোগটা কম। নামাজের পর অনেক মসজিদে খাওয়ার আয়োজন থাকে এবং পরিচিত মানুষদের সাথে সময় কাটানো, দাওয়াত, খাওয়া—এভাবেই ঈদের দিন পার করা হয় আমার। ঈদের আগের রাতে অস্ট্রেলিয়ায় অনেক বড় করে বাংলাদেশি কমিউনিটি অব অস্ট্রেলিয়া-এর আয়োজনে চাঁদ রাত অনুষ্ঠান হয়, যেখানে লাইভ মিউজিক, ফ্রি মেহেদি উৎসব হয়। পাশাপাশি কাপড় ও খাবারের নানারকম স্টলও থাকে। এই অনুষ্ঠানে সেখানে বসবাসরত সব বাংলাদেশিরা যোগদান করে এবং এটাই আমার কাছে ঈদের সবচেয়ে মজার অংশ। তবে প্রবাসের তুলনায় দেশের ঈদটাই বেশি উপভোগ করতাম। কেননা দেশের ঈদের সেই চিরচেনা পরিবেশ আর আপনজনদের সঙ্গ এখানে একদমই পাই না। পাশাপাশি ঈদের দিনে সালামি দেয়া-নেয়ার রীতিটাও অনেক বেশি মনে পড়ে।

হুমায়রা জাহান তিষা
স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী, অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া।

”প্রথম প্রবাস ঈদ রাঙিয়ে তোলার চেষ্টা”

প্রবাসে আসার মাত্র ছয় মাসের মাথায় এটি আমার প্রথম ঈদ। ঈদের দিনের পরিকল্পনার বিষয়টি নির্ভর করছে সেটি কোন দিন তার ওপর; শুক্রবার ঈদ হলে নামাজ শেষেই আমাকে ক্লাসে যোগ দিতে হবে, আর শনিবার হলে মিলবে ছুটির আমেজ। এখানে ঈদের আমেজ বলতে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে বাংলাদেশিসহ স্থানীয় চীনা ও বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের সাথে দেখা হওয়াটা দারুণ আনন্দের ব্যাপার আমার কাছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের নিয়ে আমরা নিজেরা ছোটখাটো অনুষ্ঠানের আয়োজন করবো এবং একে অপরের রুমে গিয়ে খাওয়া-দাওয়ার মাধ্যমে আনন্দ ভাগ করে নিবো। তবে বিদেশের এই ব্যস্ততার মাঝেও আমার দেশের ঈদের কথা মনে পড়ে। বিশেষ করে সবার সাথে ঈদগাহে নামাজ পড়া, কোলাকুলি করা, কবর জিয়ারত এবং বড়দের সালাম দিয়ে সালামি নেওয়ার চিরচেনা রীতিগুলোর কথা ভাবতেই আমি আবেগপ্রবণ হয়ে যাই। ঈদের বিশেষ মুহূর্ত হলো নামাজের পর বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে একাত্মতা অনুভব করা। এছাড়া সময়ের পার্থক্যের কারণে বাংলাদেশের ২ ঘণ্টা আগেই পরিবারের সাথে ফোনে ঈদের আনন্দ ও সালাম বিনিময় করতে পারাটা আমার কাছে উপভোগ্য। দেশের জন্য মন খারাপ থাকলেও প্রবাসের এই ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলো দিয়েই আমি আমার প্রথম প্রবাস ঈদ রাঙিয়ে তোলার চেষ্টা করছি।

মোহাম্মদ ইসহাক
স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী, ডংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চীন

ইউআইইউর সহযোগিতায় জামালপুরে ‘রোবো ফেস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
এলপি গ্যাসে আরও একলাফ, বাড়ল ২২৩ টাকা
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
যশোরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার চেষ্টা, আটক ৪১
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মাদ্রাসা শিক্ষকদের মানতে হবে…
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
৫ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট, চাঞ্চল্যকর তথ্য জানালেন বিজ্ঞানীরা
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
বাস চাপায় ময়মনসিংহ নটরডেম কলেজছাত্রের মৃত্যু, মহাসড়ক অবরোধ
  • ০২ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950