বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট © টিডিসি ফটো
সিলেট টেস্টে আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ও ৪৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল টেস্টের তৃতীয় দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৬ রানে আয়ারল্যান্ডের ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ২১৫ রানে পিছিয়ে থাকায় বড় জয়ের সুবাস পাচ্ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু চতুর্থ দিন সকালে দারুণ লড়াই করে সফরকারীরা। দুই উইকেট হারিয়ে প্রথম সেশন শেষ করলেও পরেই সেশনেই ২৫৪ রানে অলআউট হয়েছে তারা।
টেস্টে বাংলাদেশের চতুর্থবার ইনিংস ব্যবধানে জয়ের কীর্তি গড়ল। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৮৪ রানে এ আয়ারল্যান্ডের হয়ে লোয়ার অর্ডারে অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনি ৫২ রানেরইনিংস খেলেছেন। ইনজুরির কারণে লোয়ারে নামা পারা অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি ও জর্ডান নেইল যথাক্রমে ৩৮ ও ৩৬ রান যোগ করেন। তার আগে ওপেনার পল র্স্টালিং ৪৩ করে রান আউট হন।
টেস্টে বাংলাদেশের চতুর্থবার ইনিংস ব্যবধানে জয়ের কীর্তি গড়ল। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৮৪ রানে এবং জিম্বাবুয়েকে দু’বার ইনিংস ও ১০৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
সিলেট টেস্টে ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ক্যারিয়ারের সেরা ১৭১ রান করেন। ডাবল সেঞ্চুরির সুযোগ হারানো ইনিংসে ১৪টি চার ও চারটি ছক্কা মারেন তিনি। অধিনায়ক নাজমুল শান্তর অষ্টম টেস্ট সেঞ্চুরির ইনিংস থামে ১০০ রানে। তার ওয়ানডে গতির ১১৪ বলের ইনিংসে ১৪টি চার ছিল। এছাড়া মুমিনুল হক ৮২ রান করে আউট হন। ওপেনার সাদমান ৮০ রান করে সাজঘরে ফেরেন। লিটন দাস ৬৬ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন।
সিলেট টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারে উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে পল র্স্টালিং ও কেডে কারমাইকেলের ব্যাটে দারুণ প্রথম সেশন কাটায়। দ্বিতীয় সেশনে র্স্টালিং ৬০ রান করে ফিরে যান। কেডে কারমাইকেল ৫৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। কার্টুস ক্যাম্পার ৪৪ ও লরকান টাকার ৪১ রান করে আউট হন। লোয়ারে জর্ডান নেইল ৩০ ও বেরি ম্যাককার্টি ৩১ রান করে আউট হয়ে যান। তারা ২৮৬ রানে অলআউট হয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আয়ারল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৮৬
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৪১ ওভারে ৫৮৭/৮ (ডি.)
আয়ারল্যান্ড ২য় ইনিংস: ৭০.২ ওভারে ২৫৪ (আগের দিন ৮৬/৫) (ম্যাকব্রাইন ৫২, হামফ্রিজ ১৬, বালবার্নি ৩৮, নিল ৩৬, ম্যাককার্থি ২৫, ইয়াং ০*; হাসান ৬-২-১৫-০, নাহিদ ৮-১-৪০-২, তাইজুল ২৩.২-২-৮৪-৩, মিরাজ ১৯-৪-৪৮-০, মুরাদ ১৪-১-৬০-৪)।
ফল: বাংলাদেশ ইনিংস ও ৪৭ রানে জয়ী।
ম্যান অব দা ম্যাচ: মাহমুদুল হাসান জয়।