‘এ’ নেগেটিভের কিশোরী আফসানাকে দেওয়া হলো ‘ও’ পজিটিভ রক্ত, অতঃপর...

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৫ PM
‘এ’ নেগেটিভের কিশোরী আফসানাকে দেওয়া হলো ‘ও’ পজিটিভ রক্ত

‘এ’ নেগেটিভের কিশোরী আফসানাকে দেওয়া হলো ‘ও’ পজিটিভ রক্ত © সংগৃহীত

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে আফসানা আক্তার (১৪) নামের এক রোগীর শরীরে ভিন্ন গ্রুপের রক্ত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগী পরিবার। 

রোগী আফসানা আক্তার শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুর এলাকার আনিসুর রহমানের মেয়ে। তার নানার বাড়ি জামালপুর পৌর শহরের কম্পপুর এলাকায়। সে নারায়ণগঞ্জের রূপসী এলাকার নিউ মডেল নামের একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা একজন কৃষক।

রোগীর স্বজনরা জানান, পেটে ব্যথার কারণে কয়েকদিন আগে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয় আফসানা। গতকাল অপারেশনের পর আফসানাকে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট অপারেটিভ কক্ষে রাখা হয়।

মেয়েটির রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ’। পরে বিকেলে প্রয়োজন না হলেও এবং পরিবার বাধা দিলেও একজন নার্স আফসানার শরীরে ‘ও পজেটিভ’ রক্ত দিতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি বুঝতে পেরে রক্ত দেওয়া বন্ধ করে দেন নার্স। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আফসানাকে চিকিৎসা দিতে শুরু করেন চিকিৎসকেরা। বর্তমানে কিছুটা সুস্থ রয়েছে আফসানা।

ভুক্তভোগী রোগীর মা আঞ্জু আরা বেগম জানান, রক্তের কোনো কথা বলেনি চিকিৎসকরা। আফসানার অপারেশন শেষে পাশে আরেকজন সিজারের অপারেশনের রোগী রাখা হয়। সেই রোগীর ‘ও পজেটিভ’ রক্তের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু নার্সরা অতি উৎসাহী হয়ে হঠাৎ করেই সিজারের রোগীর রক্ত আমার মেয়েকে দেয়। আধাঘণ্টায় ৫০ মিলি মিটার রক্ত শরীরে যাওয়ার পর নজরে পড়ে সেই রক্তটি ‘ও পজেটিভ’। কিন্তু আমার মেয়ের তো রক্তের গ্রুপ ‘এ নেগেটিভ’। তখন রক্ত দেওয়া বন্ধ করা হয়। অথচ আমার মেয়ের রক্তের কোনো প্রয়োজন ছিল না। এখন তার অবস্থা সংকটাপন্ন।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শিশুটির অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশন করা হয়েছে। তাকে পোস্টা অপারেটিভ রুমে রাখা হয়। সেখানকার দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্সরা ভুল করে তাকে দিয়েছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে রক্ত দেওয়া বন্ধ করা হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে দায়িত্বে গাফিলতির জন্য যে সমস্যা হয়েছে, এটা বড় ভুল। রক্তটা যদি বেশিক্ষণ চলতো, তাহলে জীবননাশের শঙ্কা থাকতো। অভিযুক্ত নার্স কে, সেটা জানার চেষ্টা চলছে। আমরা সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোশায়েল হোসেন সুমনকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি করেছি। তিনদিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট পাবার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সদরঘাটে শ্রমিকদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষে যুবক নিহত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
খুকৃবিতে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
‘এমবিবিএস’ পরিচয়ে চিকিৎসা, ভুয়া চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরি…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
শেখ মুজিবকে শ্রদ্ধা জানিয়ে অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতাকে ‎‘জোর করে…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
এনইউবি ফার্মা ডিবেট ক্লাবের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত 
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা …
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬