জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিবে জাপান

১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৭ PM , আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৯ PM
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি © সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এশীয় নেতাদের সঙ্গে এক অনলাইন বৈঠক শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এই নতুন সহযোগিতা কাঠামোর ঘোষণা দেন। এই তহবিলের মূল লক্ষ্য হল এশীয় দেশগুলোকে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সংগ্রহ, সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা এবং তেলের মজুত বাড়াতে সহায়তা করা। খবর বিবিসির

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আর্থিক সহায়তার পরিমাণ আসিয়ান (ASEAN) সদস্যভুক্ত দেশগুলোর প্রায় এক বছরের অপরিশোধিত তেল আমদানির সমতুল্য। ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নেতারা জাপানের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন (JBIC), জাইকা (JICA) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (ADB) বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা এই প্রকল্পের অর্থায়ন করবে।

প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘জাপানের সঙ্গে এশিয়ার দেশগুলোর সাপ্লাই চেইন নিবিড়ভাবে জড়িত। বিশেষ করে চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রে জাপান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।’

তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, এই আন্তর্জাতিক সহায়তা জাপানের অভ্যন্তরীণ তেলের সরবরাহে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। বর্তমানে জাপানের নিজস্ব মজুদে ২৫৪ দিনের ব্যবহারের মতো তেল থাকলেও বৈশ্বিক সংকটের কারণে তারা সম্প্রতি রেকর্ড ৫০ দিনের সমপরিমাণ তেল ছেড়েছে এবং মে মাসের শুরুতে আরও ২০ দিনের সমপরিমাণ তেল ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে টোকিও।

জ্বালানি সংকটের এই প্রভাব এশিয়াজুড়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে হরমোজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী ৯০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এশিয়ায় আসায় এই অঞ্চলের নিরাপত্তা এখন ঝুঁকির মুখে। জাপানে প্লাস্টিক ও জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম যেমন—সিরিঞ্জ, গ্লাভস এবং ডায়ালাইসিস কিট তৈরির প্রধান কাঁচামাল ন্যাপথার সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

এদিকে ফিলিপাইন ইতোমধ্যে জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র আসিয়ান দেশগুলোকে জ্বালানি ভাগাভাগি চুক্তিতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো নাগরিকদের এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার কমাতে এবং কারপুল করার পরামর্শ দিচ্ছে। মূলত যুদ্ধকালীন এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এশিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই জাপান এই বড় অংকের তহবিল নিয়ে এগিয়ে এসেছে জাপান।

মা-বাবার ভালোবাসা পেতে ‘কবিরাজকে’ ৬৬ লাখ টাকা দিল স্কুলছাত্…
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে এক মাসে প্রাণ গেল ২০৬ শিশুর
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ত্রুটি, পাশ করলেও শত শত পরীক্ষার্থীকে…
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
জনবল নিয়োগ দেবে ব্রিটিশ-আমেরিকান রিসোর্স সেন্টার, কর্মস্থল …
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
স্কলারশিপে স্নাতকোত্তর-পিএইচডির সুযোগ তুরস্কে, মাসিক উপবৃত্…
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের মতো লেবাননেও যুদ্ধবিরতি চায় তেহরান
  • ১৬ এপ্রিল ২০২৬