আওয়ামী আমলে হওয়া সব নিয়োগ পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত ঢাবির

২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫০ PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি ছবি

২০০৯ সালে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি)  শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সব নিয়োগ পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিশ্বব্যাংক ও ইউজিসির অর্থায়নে পরিচালিত হেকেপ প্রকল্পের গবেষণা কার্যক্রম খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপাচার্য নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিয়োগ পর্যালোচনার জন্য উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে আহ্বায়ক এবং অনুষদগুলোর ডিনদের সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, হেকেপ প্রকল্পের গবেষণা তহবিলের সঠিক ব্যবহার খতিয়ে দেখতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীকে আহ্বায়ক করে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়।

এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া শিক্ষকদের চিহ্নিত করতে উপাচার্য, দুই উপ-উপাচার্য এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানের সমন্বয়ে চার সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকবৃন্দ’ প্ল্যাটফর্মের জমা দেওয়া ১২৫ জন শিক্ষকের তালিকা পর্যালোচনা করবে। অভিযুক্ত শিক্ষকরা কোনো শিক্ষক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে ওই সংগঠনের কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

এদিকে, সিন্ডিকেট সভা চলাকালে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের হলে থাকার মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব সংবলিত নতুন সিট বণ্টন নীতিমালার প্রতিবাদে সভাস্থল ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন ডাকসু, হল সংসদ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনিক ভবনের প্রবেশপথে হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে প্রতিবাদ জানান। 

শিক্ষার্থীদের তীব্র আপত্তির মুখে প্রস্তাবিত নীতিমালাটি অনুমোদন দেয়নি সিন্ডিকেট। উপাচার্য জানান, সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সভা চলাকালে দরজার ফাঁকা দিয়ে ভেতরে শব্দ তৈরির ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

এ ছাড়া শৃঙ্খলা ও অনিয়মের অভিযোগে ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মুহিত, ঔষধপ্রযুক্তি বিভাগের আবু সারা শামসুর রউফ, ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বাহাউদ্দীন, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের ড. রফিক শাহরিয়ার এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আফরোজা শেলী ও অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলামকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার, শাস্তি ও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এক টাকার শিক্ষক লুৎফুর রহমান পেলেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
রামেক ইন্টার্ন পরিষদ নির্বাচনে ৫ পদের ৪টিতেই শিবির সমর্থিতদ…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
রাড্ডায় স্বাস্থ্যসেবা বিঘ্নিত, গর্ভবতী মায়েদের পাশে ছাত্রদল…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
শিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী ব্যবস্থা …
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
খামের ওপর থেকে মুজিব শতবর্ষের সীল সরাতে পারেননি, জুলাই সনদ …
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
৫ লাখ টাকাই লাগবে, এটা ভিপি নুরের নির্দেশ, অডিও ভাইরালের পর…
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬