ব্যাখ্যা দিল কর্তৃপক্ষ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ডাকসুর বসানো এসি © সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদর (ডাকসু) উদ্যোগে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ৫ টন করে ২১টি এসি স্থাপন করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেওয়ায় এগুলো কোনও কাজে আসছে না। এর কারণ উল্লেখ করে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন বা এসি স্থাপনের উপযোগী সার্ভিস ক্যাবল না থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডাকসুর উদ্যোগে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে ৫ টন করে মোট ২১টি এসি স্থাপন করা হয়েছে। এসব এসি পরিচালনার জন্য মসজিদে কোন বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন বা এসি স্থাপনের উপযোগী সার্ভিস ক্যাবল নেই। যে সাব-স্টেশন থেকে মসজিদের বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়া আছে, সে সাব-স্টেশনেরও ২১টি এসি চালানোর মতো সক্ষমতা নেই।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এসির বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলে অগ্নিকান্ডসহ ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশংকা আছে। এতে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ সংশ্লিষ্ট ভবনসমূহের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়বে। এ কারণে মসজিদের এসির বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনও ভবনে নতুন এসি স্থাপন অথবা কোন ভবন ও স্থাপনায় কোন ধরনের পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা পরিমার্জনের সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন স্থানে এসি স্থাপনের আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগে। সংশ্লিষ্ট সাব-স্টেশনের বৈদ্যুতিক সক্ষমতা যাচাই করে অনুমতি প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাছ আছে ১৭ হাজার ১৬১টি, প্রজাতি ২৭৭
উল্লেখ্য, মসজিদের সংস্কার ও এসব এসি স্থাপনের আগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট সাব-স্টেশনের বৈদ্যুতিক সক্ষমতা যাচাই করা হয়নি। তদুপরি এ সংক্রান্ত সকল কাজের আয়-ব্যয়ের কোন হিসাবও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ পুনর্নির্মাণের জন্য তুরস্কের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। এই মসজিদ পুনর্নির্মাণের জন্য ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের যে বিষয় প্রচার করা হচ্ছে, তা সঠিক নয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।