ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে © টিডিসি সম্পাদিত
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠান আয়োজন ও সর্বসাধারণের প্রবেশের বিষয়ে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। সে অনুযায়ী, আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত ১০টা থেকে ক্যাম্পাসে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ করা হয়েছে। তবে আগামীকাল মঙ্গলবার ভোর থেকে সবাই প্রবেশ করতে পারবেন। তবে বিকেলের মধ্যে সবাইকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস থেকে ক্যাম্পাসে সংরক্ষিত প্রবেশ বিষয়ে জরুরি বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আদিষ্ট হয়ে অনুরোধ করা হলো-
১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি প্রবেশপথ (শাহবাগ, নীলক্ষেত, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, উদয়ন স্কুল) ১৩ এপ্রিল (সোমবার) রাত ১০টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য বন্ধ থাকবে। তবে শাহবাগ ও নীলক্ষেত প্রবেশপথ ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) ভোর ৬টা থেকে এবং দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, উদয়ন স্কুল প্রবেশপথ দুপুর ১২টার পর থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।
২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈধ আইডি কার্ডধারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময়ে নীলক্ষেত প্রবেশদ্বার ছাড়াও উদয়ন স্কুলের সামনে দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
আরও পড়ুন: ৪৭১ জাল সনদধারীর তালিকা মন্ত্রণালয়ে, এমপিও বন্ধ-মামলার নির্দেশনা আসছে
৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন কেবল নীলক্ষেত ও উদয়ন স্কুলের সামনে দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করবে। জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন (অ্যাম্বুলেন্স, ডাক্তার, রোগী, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন) ব্যতীত অন্য কোনো যানবাহন উক্ত সময়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না।
৪. নববর্ষের দিন বিকেল ৫টায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জনসাধারণের প্রবেশ পুনরায় বন্ধ থাকবে। এ সময়ে বহিরাগতরা ক্যাম্পাস হতে কেবল বের হতে পারবেন, প্রবেশ করতে পারবে না। এ নির্দেশনা রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
৫. বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে ওপরে উল্লেখিত সময়ে নিজ নিজ পরিচয়পত্র সাথে রাখার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা হলো। এ বিষয়ে সকলের সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
৬. ১৪ এপ্রিল বিকেল ৫টার মধ্যে ক্যাম্পাসের উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠিতব্য সব কর্মসূচি সম্পন্ন করতে হবে। এ সময়ের পর উন্মুক্ত স্থানে কোনো কর্মসূচির আয়োজন করা যাবে না।