এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি। ইনসেটে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন কথা বলছেন © সংগৃহীত
সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ না থাকায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন।
পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে সাভার মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
এসপি শামীমা পারভীন বলেন, এখন পর্যন্ত চেহারার (সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে প্রাপ্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি) মিলের কারণে মোট ১১ জনকে আটক করে তাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আটক ব্যক্তিদের ছবি দেখিয়ে অপরাধীকে শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আরাফাতুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস্ ও ট্রাফিক উত্তর) মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) জাহিদুল ইসলাম খান, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গত ১২ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন এলাকায় এক নারী শিক্ষার্থীকে রাস্তা থেকে টেনে নিয়ে পাশের জঙ্গলে ধর্ষণচেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ১৩ মে অজ্ঞাতদের আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।