খালেদা জিয়ার মৃত্যু
শোক বইয়ে স্বাক্ষর শিবির সভাপতি ও ডাকসু ভিপির, পরে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ © সংগৃহীত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে তিনি এই স্বাক্ষর করেন। পরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
এসময় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক গোলাম জাকারিয়াসহ ছাত্রশিবির ও ডাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, রাতে ডাকসু থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে আজ বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমান এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ ডাকসু প্রতিনিধিগণ।
‘‘আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে জনাব তারেক রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছি এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন কণ্ঠস্বর বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করেছি।’’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাক্ষাৎকালে জনাব তারেক রহমান বলেছেন, Difference of Opinion গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে; তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐকমত্য অটুট থাকবে। তিনি বাংলাদেশের স্বার্থে তরুণদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তারেক রহমান আরো বলেন, আমরা তোমাদের বয়সে থাকতে দেশে অনেক বেশি সন্ত্রাস ও রাহাজানি ছিলো। দেশ অনেক বেশি অস্থিতিশীল ছিলো। নিশ্চয়ই আমি চাইবো না আমার সন্তানরাও এমন বাংলাদেশ ফেইস করুক।
‘‘আমরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন সংগ্রাম ও ত্যাগের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশপন্থী রাজনীতিকে ধারণ করে বাংলাদেশের স্বার্থে সকল প্রকার আধিপত্যবাদ, দুর্নীতি, ইসলামোফোবিয়া, সন্ত্রাস ও দেশবিরোধী চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াইকে জারি রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থ সমুন্নত থাকবে।’’
আমরা আরো প্রত্যয় ব্যক্ত করেছি, ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত লড়াই জারি রাখবো। একইসাথে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছি।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, কার্যনির্বাহী সদস্য রায়হান উদ্দীন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য শাহিনুর রহমান।