জবির ধুপখোলা মাঠের জমির কাগজপত্র নেই, দাবি জকসুর

০৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:২২ PM
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক © সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের একমাত্র খেলার মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত ধুপখোলা মাঠের মালিকানাসংক্রান্ত কোনো বৈধ নথিপত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে নেই বলে দাবি করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ক্রীড়া সম্পাদক।

তার দাবি, মালিকানা–সংক্রান্ত এই জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই মাঠটির উন্নয়নকাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সোমবার (৬ জুলাই) জকসুর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মাঝে ফুটবল বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ক্রীড়া সম্পাদক বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি ধুপখোলা মাঠের বিষয়ে জানতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে সিটি কর্পোরেশন থেকে জানানো হয়, মাঠটি তাদের নয় এবং এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও তাদের কাছে নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পরই আমি দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তারা আমাদের জানিয়েছে, এই মাঠ তাদের নয়। তাদের কাছে এ মাঠের কোনো কাগজপত্রও নেই।

পরবর্তীতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে উপস্থাপন করা হয় বলে জানান তিনি। মাঠের মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র উদ্ধার করা গেলে উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলেও উপাচার্যকে অবহিত করা হয়েছে।

ক্রীড়া সম্পাদক আরও বলেন, বিষয়টি জকসুর সভায় আলোচনা হয়েছে এবং সম্প্রতি উপাচার্যের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত মাঠের কাগজপত্র উদ্ধার বা মালিকানা নির্ধারণের বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তিনি জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের বিভিন্ন জেলায় ফুটবল টার্ফ নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধুপখোলা মাঠকে এ ধরনের কোনো প্রকল্পের আওতায় আনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জকসুর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

মাঠের মালিকানা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে ধুপখোলা মাঠ তিনটি অংশে বিভক্ত। এর একটি অংশ স্থানীয় বাসিন্দাদের, একটি অংশ ইস্টার্ন ক্লাবের এবং অপর একটি অংশ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বলে দাবি করা হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশেরও কোনো কাগজপত্র বর্তমানে তাদের হাতে নেই।

তিনি বলেন, মাঠের কোনো বৈধ কাগজপত্র আমাদের কাছে নেই। ফলে আমরা এর আইনগত মালিকও নই। এ কারণে মাঠ উন্নয়নের জন্য মাটি ভরাট, বালু ফেলা কিংবা অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ করতে পারছি না।

মাঠের মালিকানা ও জমির কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হলে ধুপখোলা মাঠের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক।

ট্যাগ: জকসু
ছানি অপারেশনের অভাবে অন্ধত্বে ভুগছে ১০ লাখ মানুষ, নেওয়া হচ্…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
ট্রাক্টর উল্টে চালকের মৃত্যু, আহত হেলপার
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
মাদ্রাসা বোর্ডের এইচএসসির প্রশ্নে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, দুই …
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
বছরে গড়ে কত শতাংশ বাড়ে সোনার দাম, জানলে সঞ্চয় করবেন আপনিও
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
বিদ্যালয়ে তিন বই সংরক্ষণের নির্দেশনা বাতিল করে নোটিশ দিল মন…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্যামেরা দেখে দৌড়ানো সেই…
  • ০৬ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence