বাসের চাকা বিস্ফোরিত হয়ে ১ ছাত্রী আহত হয়েছেন © টিডিসি ফটো
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাফ বাসের চাকা বিস্ফোরিত হয়ে ১ ছাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এতে ২০-২১ সেশনের একাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী জুথি আহত হন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ট্রমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ট্রমা হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুর রাহিম বলেন, আজকে একাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের একজন মেয়ে শিক্ষার্থীর দূর্ঘটনার শিকার হওয়ার কারণ। পহেলা বৈশাখের দিন সকালে শহর থেকে নতুন বাসে করে আসার সময় ওভারলোড হওয়ার পরেও মামা আরও শিক্ষার্থী নিচ্ছিলেন এবং বলেছিলেন যে, পিছন থেকে আসা স্টাফ বাসটির টায়ারে সমস্যা আছে, তাই মানুষ বেশি হলেও এটায় তুলে নিতে। অর্থাৎ তারা ইতোমধ্যে অবগত যে বাসের চাকায় ত্রুটি আছে তা মেরামতর প্রয়োজন, এখনও তা মেরামত না করে কীভাবে জেনেশুনে বাসটি নিয়ে হাইওয়েতে যায়? পরিবহনপুলের এ দায়সারা ভাব কেন? আজকে একটা বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারতো, এর দায়কে নিতো?
পরিবহনে পুলের পরিচালক মোসারফ হোসেন বলেন, এটা একটি দূর্ঘটনা। বাসের টায়ার নতুনই ছিল। কুমিল্লার সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ যার কারণে প্রতিবছরই পরিবহন পুলে অনেক ভর্তুকি দিতে হয়।
বাসের ফিটনেস পরীক্ষা না করে ড্রাইভার কেন গাড়ি চালায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সবসময় বাসের ফিটনেস পরীক্ষা করি। শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে বাসের ইমার্জেন্সি কোনো সমস্যা দেখা দিলে আমরা বাজেট অনুমোদনের দিকে না তাকিয়ে এটা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করি।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে বাসের সমস্যা সম্পর্কে ড্রাইভার নাকি আগে থেকেই অবগত ছিলো। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা পুরো ভিত্তিহীন অভিযোগ। এই ঘটনাটি একটি দূর্ঘটনা। টায়ার নতুন-ই ছিলো। একজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আমরা তাকে সাথে সাথেই ট্রমা সেন্টারে পাঠিয়েছি এবং উনার খোঁজ খবর নিয়েছি।
রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, বাসের ড্রাইভার যদি জানতোই যে টায়ারে সমস্যা তাহলে তিনি কেন এটা বের হবেন কোনো কিছু ঘটলে সেখানে সেও ভিক্টিম হইতে পারতো। কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার সোহাগ আছেন। উনি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।