ফিটনেসবিহীন বাস অপসারণসহ ৫ দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

২৩ জুলাই ২০২৫, ০৫:৪৮ PM , আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৫, ০৩:৫১ PM
বাস আটকে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা

বাস আটকে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা © টিডিসি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (বিআরটিসি) কর্তৃক ভাড়ায় চালিত ফিটনেসবিহীন বাস অপসারণ করে যান্ত্রিক ত্রুটিমুক্ত বাস সংযোজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা আজ (২৩ জুলাই) বেলা সোয়া ২টায় শিডিউলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বাস আটকে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো দ্রুত ফিটনেসবিহীন বাস অপসারণ ও ফিটনেসসহ বাস সংযোজন; আশ্বাস নয়, নির্দিষ্ট তারিখ দিতে হবে; পরিবহন মালিক সমিতির সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন রুটের ভাড়া নির্ধারণ করা; এই টেন্ডারে রাজধানী অভিমুখী বাসের ব্যবস্থা করতে হবে ও সব বাসে ড্রাইভার ও হেলপারদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইলিয়াস বলেন, ‘বিআরটিসির চলাচলরত ফিটনেসবিহীন বাসগুলো ইঞ্জিন প্রায়ই বন্ধ হয়ে মাঝরাস্তায় বিকল হয়ে যায়, তখন শিক্ষার্থীদের বাস ঠেলে স্টার্ট দিতে হয়। তা ছাড়া অনার্সের পর শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা দিতে ঢাকা যেতে হয়, এখন যদি সপ্তাহে এক দিন ঢাকা পর্যন্ত বাস দেওয়া হয়, তাহলে তা শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক হেল্প হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন রুটে চলাচলরত বাসগুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে, মালিক সমিতির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট ভাড়া নির্ধারণ করলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।’

আরও পড়ুন: একই দিনে নেওয়া হবে ২২ ও ২৪ জুলাইয়ের এইচএসসি

পরবর্তী সময়ে আন্দোলন স্থলে  উপস্থিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম এবং প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান আগামী ২০ আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সব সমস্যার সমাধান এবং দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনে বর্তমানে ১৫টি বাস যুক্ত আছে। যার মধ্যে ভাড়ায় চালিত বিআরটিসির বাস ৬টি এবং বাকিগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বাস। বিআরটিসির বাসগুলোতে যাতায়াতের সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়া,চাকা ব্লাস্ট হয়ে যাওয়া, গ্লাস ভেঙে যাওয়াসহ শিক্ষার্থীরা নানা ধরণের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিআরটিসির ফিটনেসবিহীন বাসগুলোকে অপসারণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কয়েক দফা জানানোর পরও কোনো ধরনের সমাধান না হওয়ায় আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।

এখনও নিশ্চিত না ভারতের সেমিফাইনাল ভেন্যু!
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’, ‘আজাদী’ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের কড়া বিবৃতি
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ওয়ার্ড কমিটিতে ‘আওয়ামী লীগের লোকজনকে পুনর্বাসন’: যুবদল কর্ম…
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পুরোনো কর্মস্থলে ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে কঠোর নির্দেশনা আইজিপির
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কলেজছাত্র ইকরাম হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড
  • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬