ট্রেইনিং সেশনে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয় © টিডিসি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ডিজিটাল সরকার ও অর্থনীতি শক্তিশালীকরণ (ইডিজিই) প্রকল্পের অধীনে ‘ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং’-এর সমাপনী প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনবে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রোগ্রামটির আয়োজন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুঞ্জুরুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে তেলোয়াত, অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ এবং ট্রেইনিং সেশনে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক বলেন, ‘যারা কঠোর পরিশ্রম করে আজকের এ সনদ অর্জন করেছে, তাদের সবাইকে অভিনন্দন। তোমাদের অর্জিত এ জ্ঞান শিক্ষাজীবনে এবং কর্মজীবনে বিশেষ অবদান রাখবে।’
আরও পড়ুন: ৩ আগস্ট ‘জুলাই ঘোষণাপত্র ও ইশতেহার পাঠ’ কর্মসূচি এনসিপির
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘আমি যেকোনো মোটিভেশনাল আলোচনাতে স্কিল ডেভেলপমেন্টের ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করি। আমি ভিসি না হলে এই স্কিল ডেভেলপমেন্টের ওপর এত বেশি গুরুত্ব দিতাম না। কারণ আমি এই প্রশাসনিক পদে থাকার কারণে আমার অনেকের সঙ্গে কাজ করতে হয়, যেখানে আমি স্কিলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো কিছু জানতে চাইলে প্রথমে ইনফরমেশন দরকার হয়। ইনফরমেশনটা পেয়ে গেলে সেটা জ্ঞানে পরিণত হয়। এ জ্ঞানকে বাস্তবায়ন করার জন্য যা প্রয়োজন, সেটাই হলো দক্ষতা। স্কিলে আমরা যত বেশি ক্যাপাসিটি অর্জন করব, আমাদের জন্য তত উপকার। স্মার্টনেস বলতে আমরা সেটাকেই বুঝি যে যুগ যেটা ডিমান্ড করে, সেটা নিজের মধ্যে আয়ত্ত করা।’