বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে আরো একটি প্রতিষ্ঠান। নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাইভেট এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়মের মধ্যেও একের পর এক অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে সরকার; যাতে নতুন করে যুক্ত হলো আরো একটি প্রতিষ্ঠান। এ নিয়ে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যা দাঁড়ালো ১০৪টিতে।
তথ্যমতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এবং তার সহধর্মিণী মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী আবু মুছা আনসারী গণমাধ্যমকে জানান, গত ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন সংক্রান্ত কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
সূত্রের তথ্য, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ভবন ভাড়া নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে জেলা সদরের রামরাইল অথবা অন্য কোনো জায়গায় স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করা হবে।
এর আগে গত বছরের জুন দুটি বিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনুমোদন পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটি’ হবে ঢাকার মহাখালীতে। এটির প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম মোশাররফ হোসাইন। আর ‘ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি’ হবে বরিশালের নবগ্রাম রোডে। এটির প্রতিষ্ঠাতা কাজী শফিকুল আলম। তারও আগে এপ্রিলে দুই দফায় চারটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে আইন পাস হওয়ার পর দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন শুরু হয়। গত ১০ বছরে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে অর্ধশত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেয়। এ ক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনা প্রাধান্য পেয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ও দলীয় বিবেচনায় বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।