কোনো আধিপত্যবাদ মানা হবে না: জামায়াত আমির

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৩ AM
জামায়াত আমির

জামায়াত আমির © টিডিসি ফটো

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুল রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি। এই জন্মভূমির প্রতিটি ইঞ্চি মাটি পাহারাদারের দায়িত্ব আমাদের। জীবন দেব, কিন্তু এক আধা ইঞ্চি মাটিও কাউকে দেওয়া হবে না। কোনো আধিপত্যবাদ বাংলাদেশে মানা হবে না। বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে, ইনশাল্লাহ।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুল রহমান বলেন, দেশের যে কোনো মর্যাদা রক্ষায় যুবসমাজ বুক চিতিয়ে প্রস্তুত, এটা তারা প্রমাণ করেছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শুধু বাণিজ্যিক রাজধানী নয়, এটি দীর্ঘ সংগ্রাম ও প্রতিরোধের রাজধানী। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাও এখান থেকেই হয়েছিল।

জামায়াত আমির দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা মজলুম ছিলেন। ওই সময় জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার জিরো পয়েন্টে প্রকাশ্যে ‘লগি-বৈঠা’র ঘটনায় তাদের ছয়জন কর্মী নিহত হন। সেখান থেকেই ‘খুনের রাজনীতি’র সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য, সেই তাণ্ডবের পাওনার একাংশ, তারা এখন পেয়েছে এবং বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে পুরোপুরি স্বাধীন হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাইলে ‘ফ্যাসিবাদী খাস লোকদের’ চিরতরে লাল কার্ড দেখাতে হবে।

ডা. শফিকুল রহমান আরও বলেন, সবচেয়ে নির্যাতিত দল হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামী ধৈর্য ধরেছে এবং দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করেছে। শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গু মানুষ এবং বন্যাকবলিতদের পাশে দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় একদল চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, দলটি নেতাদের সঙ্গে বসে চাঁদাবাজি ও পাহারাদারি বন্ধ করার অনুরোধ করেছিলাম।

দখলদারির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন,  এখানে–ওখানে বিভিন্ন জায়গায় দখলদারি শুরু হয়েছে। এসব দখলদারিতে করতে গিয়ে নিজেদেরই ২৩৪ জন মানুষকে মেরে ফেলেছে। এরা দেশকে কী দিতে পারে, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ক্ষমতায় যাওয়ার আগে আওয়ামী লীগ যে বার্তা দিয়েছিল, আজ এই দলটিও ঠিক একই বার্তা দিচ্ছে।

নিজের আইডি হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তুলে জামায়াত আমির বলেন, তাঁর নামে জঘন্য বিষয় ছড়ানো হয়েছে। কারা এটি করেছে, তা শনাক্ত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। খেলাফত মজলিসের নগর সভাপতি অধ্যাপক খুরশীদ আলম ও নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ সঞ্চালনা করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু, ঢাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, জাগপার মুখপাত্র আল রাশেদ প্রধান সহ বিভিন্ন দলের নেতা ও সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীরা।

বক্তব্যের শেষে এগার দলীয় জোটের প্রার্থীদের মঞ্চে ডেকে পরিচয় করিয়ে দেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

স্বাস্থ্যে বাজেট বৃদ্ধি তখনই কার্যকর হবে, যখন তামাকের ব্যবহ…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাবির তিন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ট্রাইবুনাল, একজনের বিরুদ্ধে তদ…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দুর্ঘটনা, বিমানবাহিন…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত গেজেট দেখুন এখানে
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস ঘোষণা
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকে নতুন ১৫ পরিচালক, অব্যাহতি ১০ জন
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬