জাতীয় সংসদ নির্বাচন © সংগৃহীত
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৯টি আসনের ব্যালট পেপারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতীক ‘ধানের শীষ’ থাকছে না।
বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে দীর্ঘদিনের মিত্র পাঁচটি রাজনৈতিক দলকে সম্মান জানিয়ে ৮টি আসন ছেড়ে দিয়েছে দলটি। এসব আসনে মিত্র দলের প্রার্থীরা তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, ঋণখেলাপির দায়ে উচ্চ আদালতের রায়ে একটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল হওয়ায় সেখানেও প্রতীকশূন্য থাকছে দলটি।
আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রার্থীরা ‘খেজুরগাছ’ প্রতীক নিয়ে সিলেট-৫ আসনে মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির হোসেন কাসেমী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বোমা ও বন্দুক হামলা, নিহত ১৯৩
এছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ঢাকা-১২ আসনে ‘কোদাল’ প্রতীকে এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-৩ আসনে ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে লড়াই করছেন।
পাশাপাশি ভোলা-১ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এসব আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী না থাকায় ব্যালটে ধানের শীষের প্রতীক থাকছে না।
এদিকে মিত্রদের ছেড়ে দেওয়া আট আসনের বাইরে কুমিল্লা-৪ আসনে আইনি জটিলতায় ছিটকে পড়েছেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ঋণখেলাপের দায়ে আদালত তার মনোনয়নপত্র চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করায় এই আসনে বিএনপির আর কোনো বৈধ প্রার্থী নেই। ফলে আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো প্রতিনিধিত্ব থাকছে না।