জাতীয় নাগরিক পার্টি © সংগৃহীত
রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ও রাজশাহী জেলা আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এই দুই কমিটিকে স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দলটি।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামের অওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে জেলা ও মহানগর কমিটিতে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন নেতা জেলা কমিটি থেকে পদত্যাগও করেছেন। এছাড়া তাকে অপসারণের দাবিতে কর্মসূচিও পালন করেছেন তারা। এই ইস্যুতেই দুই কমিটিকে স্থগিত করেছে কেন্দ্র।
আরও পড়ুন: শাকসু নির্বাচন চাওয়ায় দল থেকে আজীবন বহিষ্কার ছাত্রদল নেতা
মহানগর কমিটির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলীর সমর্থকদের দাবি, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমনের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরে সাইফুল ইসলােমকে নেতা বানানো হয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাকে অপসারণের দাবি জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আর সাইফুল ইসলামের অনুসারীদের দাবি, মোবাশ্বের আলী মহানগরের নেতা হলেও তিনি জেলাও নিয়ন্ত্রণ করতে চান। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছে তারা।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মহানগর কমিটির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা বরাবরই রাজশাহী জেলা আহ্বায়কের আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার বিরুদ্ধে কেন্দ্রকে বলে আসছি, প্রতিবাদ করে আসছি। আমাদের পরিষ্কার কথা হলো যে আমরা আসলে ভাই এনসিপিকে ভালোবাসি। এনসিপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান করি। সম্মান জানাবো। বাট আমরা আওয়ামী কোন দোসরদের সাথে কম্প্রোমাইজ করতে পারব না। এখানকার যে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আছে ইমরান, তার সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে কেন্দ্র তাকে এখানকার আহ্বায়ক করেছে। জুলাই আন্দোলনের পক্ষে তার কোনো অ্যাক্টিভিটি নাই।
জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, জেলার তরফ থেকে তো আসলে কোনো কাউন্টার আমরা কখনো দিইনি। মহানগর থেকে ওদের একটা আপত্তি ছিলম, আমার নিয়ে কিছু ছবি নিয়ে। আমি একটা প্রেস কনফারেন্স করে আমার চ্যালেঞ্জটা জানিয়েছি যে, এটা একটা প্রোপাগান্ডা। আমার আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার ১ শতাংশ সত্যতা নেই।