ডিএসসিসির গাড়ি চাপায় নিহত নটরডেম ছাত্রের বাড়িতে মেয়র তাপস

সড়ক দুঘর্টনা
নটরডেম ছাত্রের বাড়িতে মেয়র তাপস  © সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি চাপায় নিহত নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের পরিবারকে সান্তনা দিতে কামরাঙ্গীচরের ঝাওলাহাটিতে গিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। আজ বুধবার রাতে নাঈমের বাড়িতে গিয়ে তিনি বলেন, আসলে সন্তান হারা পিতা-মাতাকে তো সান্ত্বনা দেওয়া যায় না। আমার নিজেরও দুই সন্তান। নিজেই উপলব্দি করি, এটা কি রকম বেদনাদায়ক-মর্মান্তিক ঘটনা। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।

ঘাতক চালকের সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করে তিনি আরও বলেন, এ রকম গাফিলতি, কোনো অন্যায় বরদাশত করা হবে না। আমরা এরই মাঝে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে ব্যবস্থা নেওয়া আরম্ভ করেছি। আমরা তদন্ত কমিটি করেছি এবং আমরা এরই মাঝে তাদেরকে চিহ্নিত করেছি। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এবং প্রাতিষ্ঠানিক যে কার্যক্রম আছে সেগুলোও আমরা নেব। যাতে করে সুষ্ঠুভাবে বিচার সম্পন্ন হয় এবং সর্বোচ্চ শাস্তি যেন হয়, সেটাই আমরা কামনা করি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামও এসময় মেয়র তাপসের সঙ্গে ছিলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামান, দক্ষিণ সিটির কাউন্সিলরদের মধ্যে সাধারণ আসনের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. নুরে আলম, ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ হোসেন, ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সাইদুল ইসলাম এবং সংরক্ষিত আসনের শেফালী আক্তার উপস্থিত ছিলেন। 

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দিকে রাজধানীর গুলিস্তানের হলমার্কেটের সামনে নিহত হন নটরডেম কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম। তার মৃত্যুর প্রতিবাদে ঘাতকের ফাঁসির দাবি নিয়ে তার সহপাঠীরা গুলিস্তানে সড়ক অবরোধ করে। পরে ডিএসসিসি এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দিলে তারা সেই সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। 

দিনজুড়ে আলোচিত এ ঘটনার শেষে জানা যায়, ডিএসসিসির সেই গাড়িচালক রাসেল সিটি করপোরেশনের নিয়োগপ্রাপ্ত কোনও চালক নন। তিনি একসময় ডিএসসিসির ক্লিনার হিসেবে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে চাকরি করতেন। এখন তার সেই ক্লিনারের চাকরিটিও নেই। 

এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার মধ্যেই ডিএসসিসির জনসংযোগ বিভাগ বুধবার রাত ৮টার দিকে জানায়, মেয়র নাঈমের বাড়িতে যাবেন। সেখানে তার জানাজায় অংশ নেবেন।


মন্তব্য

x