দ্বিতীয় দিনেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন শেবাচিম ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের

২৮ জুন ২০২৬, ০৮:০৫ PM
শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন © সংগৃহীত

ক্লাসরুম, আবাসন ও শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও কর্মবিরতি পালন করেছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নরা। একই সঙ্গে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছেন তারা। আজ রবিবার (২৮ জুন) তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।

জানা গেছে, শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন ভবনের তৃতীয় তলার একটি অংশে ইউনিটটির অবস্থান। এখানেই ক্লাস, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ ও চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে একটি মাত্র কক্ষ। এ ছাড়া মোট শিক্ষক পদের ৭৪ শতাংশ আছে শূন্য।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ডেন্টাল ইউনিটে শিক্ষকদের মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ৫২টি হলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৪ জন। অর্থাৎ প্রায় ৭৪ শতাংশ শিক্ষকের পদই শূন্য রয়েছে। এই ১৪ জনের মধ্যে আবার ৩ জন অন্য এলাকায় সংযুক্তিতে রয়েছেন। এ হিসেবে ডেন্টালের মোট ১০টি বিভাগের বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১১ জন। এ ছাড়া এ ছাড়া বেসিকসহ সব বিভাগের শিক্ষকরাই হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। এর বাইরে মোট ১৫ জন চিকিৎসকের স্থানে কর্মরত মাত্র ৪ জন, যা মোট পদের মাত্র ২৬ শতাংশ।

বিডিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আল রাহাত গতকাল গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা কীভাবে মানসম্মত ও পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা লাভ করব, সেটিই আমাদের প্রধান প্রশ্ন। এই সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করার লক্ষ্যে আমরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের আয়োজন করেছি। বরিশাল অঞ্চলে ডেন্টাল চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হলো শেবাচিম ডেন্টাল ইউনিট। এখান থেকেই ভবিষ্যতের দন্তচিকিৎসকরা গড়ে উঠবেন। কিন্তু পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকলে সেই লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন। বর্তমানে মাত্র ১১ জন শিক্ষকের পক্ষে ১০টি বিভাগের পাঠদান ও একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা বাস্তবসম্মত নয়।

চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সুহাইলা উম্মু রুম্মান বলেন, জনসাধারণকে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দিতে হলে আগে আমাদের দক্ষ ও যোগ্য চিকিৎসক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। আর সে জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শিক্ষক, অবকাঠামো ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবীনা ইয়াসমিন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমি ইউনিট প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি। ওখানে প্রধান সমস্যা হচ্ছে স্পেসটা কমে যাচ্ছে। যেহেতু স্পেস রিলেটেড একটা ইস্যু, এটা আসলে ইমিডিয়েটলি সলভ করা খুবই মুশকিল। আমাদের মনে হয়, যদি অন্য কোথাও স্পেস থাকে এবং সেখানে কোনো ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করা সম্ভব, তাহলে হয়তো সেটা করে দিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের ক্ষেত্রেও একই কথা জানান অতিরিক্ত মহাপরিচালক। শিক্ষক সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, এটির ব্যাপারে আমরা বলেছি যে ওই অঞ্চলে পোস্টিংয়ে থাকা চিকিৎসকদের একটা তালিকা দিতে। আমরা সেটি মন্ত্রণালয়কে দিব। মন্ত্রণালয় যদি পদায়ন করে, তাহলে শিক্ষক সংকটের সমস্যা কিছুটা সমাধান হবে।

মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের দায়ে যুবকের ৫ বছর কারাদণ্ড
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
বাবার মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো মাঠে নামলেন মেসি
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
পে-স্কেল নিয়ে শেষ হলো সচিব কমিটির সভা, যেসব সিদ্ধান্ত আসল
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থীর নাম জানা যাবে আজ
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
হাসান মাহমুদের আগুনে বোলিং, সাজঘরে ফিরলেন হেডও
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ঢাবি থেকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মাইগ্রেশন নিয়ে শিক্ষার্থ…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬