সর্দি-কাশি সারাতে পারে যে ৪ খাবার

২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ PM
প্রতীকি ছবি

প্রতীকি ছবি © সংগৃহীত

আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা ও শুকনো কাশির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কখনো জ্বর, কখনো নাক দিয়ে পানি পড়া, আবার শোয়ার পর নাক বন্ধ হয়ে শ্বাস নিতে অস্বস্তি—এমন উপসর্গে ভোগেন অনেকে। এসব সমস্যায় দ্রুত আরাম পেতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতাও রয়েছে। অথচ অধিকাংশ সর্দি-কাশি ভাইরাসের কারণে হয়, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর নয়। অপ্রয়োজনে এসব ওষুধ সেবনে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়ে। তাই উপসর্গের ধরন বুঝে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায় সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে।

সর্দি-কাশি ও গলাব্যথায় আরাম পেতে কয়েকটি ঘরোয়া পানীয় ও খাবার গ্রহণের কথা বলছেন চিকিৎসা। তবে এসব উপায়কে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প বা রোগ সারানোর নিশ্চিত পদ্ধতি হিসেবে দেখা ঠিক নয়।

১. যষ্টিমধু, গোলমরিচ ও তুলসীপাতার পানীয়

এক কাপ পানিতে সামান্য যষ্টিমধু, কয়েকটি গোটা গোলমরিচ ও কিছু তুলসীপাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিতে পারেন। পানি অর্ধেক হয়ে এলে নামিয়ে হালকা গরম অবস্থায় পান করা যায়। গলাব্যথা বা গলায় অস্বস্তি থাকলে উষ্ণ পানীয় সাময়িক আরাম দিতে পারে। তবে যষ্টিমধু সবার জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ বা কিডনির সমস্যা থাকলে এবং নিয়মিত ওষুধ সেবন করলে এটি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. আখের গুড় ও কালো তিলের নাড়ু

কালো তিলে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। শুকনো কড়াইয়ে তিল হালকা ভেজে গুঁড়া করে নিতে পারেন। এরপর গুড় গলিয়ে তাতে তিলের গুঁড়া মিশিয়ে নাড়ু তৈরি করা যায়। এটি পুষ্টিকর খাবার হলেও সর্দি-কাশি বা গলাব্যথা সারানোর নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। ডায়াবেটিস থাকলে গুড়ের পরিমাণের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

৩. শুকনো আদা ও ধনের চা

এক গ্লাস পানিতে সামান্য শুকনো আদার গুঁড়া ও ধনে বীজ দিয়ে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে ছেঁকে নিতে পারেন। চাইলে পানীয়টি কিছুটা ঠান্ডা হলে সামান্য মধু যোগ করা যায়। উষ্ণ পানীয় গলার অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। এক বছরের কম বয়সী শিশুকে কোনো অবস্থাতেই মধু দেওয়া যাবে না। আদা বা ধনের এই পানীয় শুকনো কাশি কিংবা অ্যালার্জি সারায়—এমন নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

৪. বেসনের শিরা

বেসন, দুধ, সামান্য ঘি, হলুদ ও গোলমরিচ দিয়ে তৈরি করা যায় বেসনের শিরা। চাইলে এতে অল্প আদাও যোগ করা যায়। উষ্ণ অবস্থায় এটি খেলে গলাব্যথার সময় আরাম লাগতে পারে। তবে দুধ বা বেসনে অ্যালার্জি থাকলে সংশ্লিষ্ট উপাদান এড়িয়ে চলতে হবে। এই খাবার সর্দি-কাশির নির্দিষ্ট চিকিৎসা নয়।

সর্দি-কাশি হলে কী করবেন?

সর্দি-কাশিতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পানি ও অন্যান্য তরল পান এবং ধোঁয়া-ধুলাবালি এড়িয়ে চলা উপকারী হতে পারে। নাক বন্ধ থাকলে স্যালাইন নাসাল স্প্রে ব্যবহার করা যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না; অনলাইনে দেখে ওষুধের নাম জেনেও নিজে থেকে সেবন করা উচিত নয়।

জ্বর দীর্ঘস্থায়ী হলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, বুকে ব্যথা দেখা দিলে, শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণ থাকলে কিংবা উপসর্গ বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

টঙ্গীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে চ…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মেট্রোরেলে হঠাৎ অসুস্থ, হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু 
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
হার্ট অ্যাটাকের ২–৫ বছর আগেও দেখা দিতে পারে যে লক্ষণ
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী’ লিখে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শীত কবে থেকে শুরু, যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
লিভার রোগে আক্রান্ত ৫ কোটি মানুষ, চিকিৎসক আছেন দেড়শোরও কম
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬