বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নে দ্রুত জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৬ PM
গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী © সংগৃহীত

দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নিতে এবং বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে দ্রুত একটি ‘জাতীয় কৌশল’ প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি জানান, সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের বিকাশ ও উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে ‘জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন: বায়ো-ইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক গোলটেবিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজক বায়োটিইডি সোমরু বায়োসায়েন্স ও সহযোগী হিসেবে ছিল জেনএক্স।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে। এখন সময় এসেছে এটিকে বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন ও বায়োটেকনোলজির মতো উচ্চপর্যায়ের ধাপে রূপান্তর করার। এটিকে কেবল স্বাস্থ্য সুরক্ষার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি বা বায়ো-ইকোনমির লেন্স দিয়ে দেখতে হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে সঠিক মান ও আন্তর্জাতিক স্কেল বজায় রেখে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন গবেষণার প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। নতুন এই রূপান্তরে প্রায় ১০ হাজার প্রশিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে। সরকার শুধু সাধারণ কর্মসংস্থান নয়, বিজ্ঞান ও গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চপর্যায়ের (হাই-এন্ড) কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তিনি বলেন, কনট্র্যাক্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) গড়ে তোলা এবং বায়োসিমিলার নিয়ে নিজস্ব গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এছাড়া শিল্পোদ্যোক্তা ও গবেষকদের জন্য সরকারি উদ্যোগে ‘শেয়ার্ড ফ্যাসিলিটিজ’ বা কেন্দ্রীয় ল্যাব সুবিধা তৈরির আশ্বাস দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত। 

তরুণ গবেষকদের সুযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য খাতের বাজেট থেকে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, মলিকুলার বায়োলজি ল্যাব স্থাপন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিল (রিসার্চ ফান্ডিং) বাড়ানোর বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অংশীজনদের সমন্বয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কৌশলপত্র চূড়ান্ত করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাত একযোগে কাজ করলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল বাজারে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন আইসিডিডিআর,বির প্রধান নির্বাহী ডা. তাহমিদ আহমেদ, বায়োটিইডির প্রধান নির্বাহী সওগাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দিন বেননূর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) পরিচালক নাঈম গোলডার, জেনেক্স হেলথের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. মুনিয়া আমিন, সাদাফ সাজ, ইউনিমেড ইউনি হেলথের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোসাদ্দেক হোসাইন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সোহেল রানা প্রমুখ।

গৃহবধূ মিশু হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের …
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
নেত্রকোনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩০
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে আকিজ গ্রুপ, আবেদন ২৩ আগস্ট পর্যন্ত
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
মাউশিতে ‘খুনি খালেদার বিচার চাই’ স্লোগান দেওয়া শিক্ষা ক্যাড…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
কর্মক্ষেত্রে সুনাম পাবেন কী উপায়ে? আত্মবিশ্বাস বাড়াবে যে ৫…
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage