সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় ফি ধার্য হচ্ছে, মতামত চাইল মন্ত্রণালয়

০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৪ AM , আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৮ AM
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষক © সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতীকী বা সামান্য ফি নির্ধারণ করা হবে কিনা—এ বিষয়ে সর্বসাধারণের অনলাইনে মতামত চেয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) মাগুরা, লালমনিরহাট, ফেনী ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত পত্র, মতবিনিময় সভা এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক এবং বার্ষিক পরীক্ষা পরিচালিত হলেও এসব পরীক্ষায় কোনো ফি গ্রহণ করা হয় না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে পরীক্ষার ফি নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে।

তাদের মতে, পরীক্ষায় ফি না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পরীক্ষার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব ও আগ্রহের ঘাটতি দেখা যায়। প্রতীকী বা সামান্য ফি নির্ধারণ করা হলে পরীক্ষার প্রতি মনোযোগ ও গুরুত্ব বাড়বে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নসহ পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের আরও সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে পাঠদান, বিনামূল্যে বই বিতরণ, উপবৃত্তি প্রদানসহ শিক্ষা সহায়ক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং ঝরে পড়া রোধ করতেই এসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক, অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতীকী বা সামান্য ফি নির্ধারণ করা যৌক্তিক হবে কিনা—সে বিষয়ে মতামত আহ্বান করা হয়েছে। পূর্ববর্তী পরীক্ষার ফি পর্যালোচনার আলোকে এ বছর থেকে নির্দিষ্ট হারে পরীক্ষার ফি নির্ধারণের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

তবে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফি দিতে অসমর্থ হলে তার ফি মওকুফের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সর্বসাধারণকে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করে আগামী ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে ([email protected]) এবং ([email protected]) ঠিকানায় লিখিত মতামত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন

ফাইনাল ম্যাচ পুনরায় খেলার দাবিতে ৬২ হাজার সই
  • ২৩ জুলাই ২০২৬
মুম্বাইয়ে একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা
  • ২৩ জুলাই ২০২৬
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের ১৪ নেতাকে শোকজ
  • ২৩ জুলাই ২০২৬
সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৮ জেলায় ৬০ কিমি ভেগে ভারী বৃষ্টির আভাস
  • ২৩ জুলাই ২০২৬
ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচির প্রতিশ…
  • ২৩ জুলাই ২০২৬
দল থেকে বহিষ্কার হলেই এমপি পদ বাতিল নয়: নির্বাচন কমিশনার
  • ২৩ জুলাই ২০২৬