পবিপ্রবির উপ-উপাচার্যের বক্তব্যের প্রতিবাদে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেনের বিবৃতি

১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:১৭ PM , আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৮ PM
বাম থেকে পবিপ্রবির উপাচার্য ও ড. দেলোয়ার হোসেন

বাম থেকে পবিপ্রবির উপাচার্য ও ড. দেলোয়ার হোসেন © সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপ-উপাচার্যের দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিবৃতিতে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি দাবি করেন, ওই বক্তব্যে তথ্যের অপব্যাখ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিকৃতি রয়েছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, উপ-উপাচার্য গণমাধ্যমে দাবি করেছেন—কৃষি অনুষদের শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের নামে প্রায় ৯০ লাখ টাকার টেন্ডার হয়েছে, যেখানে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেনের বরাদ্দকৃত অর্থের ৫৫ শতাংশ কেটে রাখা হয়েছে এবং ভ্যাট-ট্যাক্স বাবদ ২০ থেকে ২২ শতাংশ কর্তন করা হতে পারে। এ দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বাস্তবতাবিবর্জিত উল্লেখ করে অধ্যাপক দেলোয়ার বলেন, বাস্তবে এ ধরনের কর্তনের কোনো সুযোগ বা বিধান নেই।

তিনি জানান, প্রকৃতপক্ষে ২০২৫ সালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তাওহীদ এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের জন্য মোট ৮ লাখ ৯২ হাজার ১১৪ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনিক্যাল ও অ্যাসেসমেন্ট কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদিত হয়। সংশ্লিষ্ট কমিটি তৎকালীন ডিন অধ্যাপক ড. পূর্ণেন্দু বিশ্বাসের মাধ্যমে গঠিত ছিল এবং পুরো প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োজিত কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট ১০ শতাংশ ও ট্যাক্স ৫ শতাংশ—মোট ১৫ শতাংশ কর্তনের পর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ৭ লাখ ৫৮ হাজার ২৯৭ টাকা পরিশোধের অনুমোদন দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন,উপ-উপাচার্য যে ৯০ লাখ টাকার টেন্ডার ও ৫৫ শতাংশ ভ্যাট-ট্যাক্স কর্তনের দাবি করেছেন, তা সম্পূর্ণ মনগড়া, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষ্য, এ ধরনের বক্তব্য তাকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব শাখা প্রয়োজনীয় নিরীক্ষা ও অনুমোদনের পর সরাসরি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নামে চেক ইস্যু করে থাকে। ফলে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ কেটে রাখার কিংবা কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের সুযোগ নেই।

উপ-উপাচার্যের বক্তব্যকে মানহানিকর ও প্রশাসনিক শিষ্টাচার বহির্ভূত উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন বলেন, একজন দায়িত্বশীল প্রশাসনিক পদে থেকে এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং শিক্ষক সমাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

তিনি অবিলম্বে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি না ঘটানোর আহ্বানও জানান তিনি।

ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
চাঁদপুরে চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ৬ লেখক
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
এইচএসসি কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের বসার চেয়ার ও ছাউনি দেওয়া…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
নকআউট পর্বে বিদায়, আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন রিয়াদ মা…
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তির জন্য ১ আগস্ট থেকে অনলাইন আবেদন শুরু
  • ০৩ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence