রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ

১৫ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৯ PM , আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০৫ PM
উচ্ছাসিত বাংলাদেশ দল

উচ্ছাসিত বাংলাদেশ দল © সৌজন্যে প্রাপ্ত

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিয়ে শুরুতেই পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে আঘাত হানে বাংলাদেশের পেসাররা। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। তবে দলের হাল ধরেন সালমান আলি আগা। তার লড়াকু ইনিংসে জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

তবে শেষ দিকে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ১১ রানে জয় পেয়ে ২–১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার গতির তোপে ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের টপ-অর্ডার। মাত্র ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। একশ রানের আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে প্রায় ছিটকে পড়েছিল তারা।

তবে সেখান থেকে লড়াইয়ের চেষ্টা করেন আব্দুল সামাদ ও সাদ মাসুদ। পরে একাই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সালমান আলি আগা। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে ম্যাচে ফেরার আশা জাগান তিনি।

কিন্তু পাকিস্তানের জয়ের আশা যখন বড় হচ্ছিল, তখন ত্রাতা হয়ে আসেন তাসকিন আহমেদ। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে আউট হন সালমান, তাতেই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের শেষ আশা। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে অলআউট হয় তারা।

বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪টি উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর রহমান শিকার করেন ৩টি উইকেট। এ ছাড়া নাহিদ রানা ২টি এবং রিশাদ হোসেন নেন একটি উইকেট।

এর আগে, ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার মিলে শক্ত ভিত গড়ে তুলে বিনা উইকেটে দলীয় সংগ্রহ একশ রানে পৌঁছে দেন। তবে সেই জুটি ভাঙে শাহিন শাহ আফ্রিদির ওভারে। বোল্ড হয়ে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান।

সাইফের বিদায়ের পর তামিমকে সঙ্গ দিতে থাকা নাজমুল শান্তও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পাকিস্তানি পেসার হারিস রউফের বলে ২৭ রান করে বিদায় নেন তিনি।

অন্যপ্রান্তে ৪৭ বলে প্রথম ফিফটির পর পরের ফিফটি করতে আরও ৪৯ বল লেগেছে তানজিদ তামিমের। সব মিলিয়ে ৯৮ বল খেলেই তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন এই ওপেনার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি তার প্রথম সেঞ্চুরি।

এই ইনিংস খেলার পথেই আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলফলকও পূর্ণ করেন এই ব্যাটার।

তবে সেঞ্চুরির পর হাত মেলে খেলতে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তামিম। ১০৭ বলে ১০৭ রান করে আবরার আহমেদের বলে আউট হন এই ওপেনার।

এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন তাওহিদ হৃদয়। দুজনই শুরুতে দেখেশুনে খেললেও পরে হাত খুলে রান তোলেন। ৫১ বলে ৪১ রান করে লিটন আউট হলে পরের বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন রিশাদ হোসেন। দুজনকেই ফেরান হারিস রউফ।

শেষদিকে হৃদয় ও আফিফ দলকে এগিয়ে নেন। ৪৪ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন হৃদয়, আফিফ করেন ৫ রান। এতে নির্ধারিত ওভার শেষে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নেন হারিস রউফ, আর আবরার আহমেদ ও শাহীন শাহ আফ্রিদি নেন একটি করে উইকেট।

জুলাই জাদুঘরসহ বিভিন্ন কাজের স্বীকৃতি নিয়ে ফাইজ তাইয়েবের ক্…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
‘ছয় মাসে অনেক খেয়েছেন, মনে হয় দলটাই খেয়ে ফেলবেন’—নেতাকর্মীদ…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অপসারণের দাবির প্রেক্ষিতে য…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদত্যাগের ঘোষণা
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
মাটি ও আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন ফসল চাষ করবেন জানাবে …
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জাবির খাল পুনঃখননে টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর ঘোষণা পানিসম্পদ ম…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬