পে স্কেলের দাবিতে কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াল কর্মচারীরা

০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৮ PM
পে স্কেলের দাবিতে কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াল কর্মচারীরা

পে স্কেলের দাবিতে কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াল কর্মচারীরা © ফাইল ফটো

পে স্কেলের দাবিতে কর্মসূচির মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনটির সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী ও সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত বৈষম্যমুক্ত নবম স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি-২০২৬ থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে স্ব স্ব দপ্তরের সামনে প্রতিদিন ২ ঘন্টা করে তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে সকল কর্মচারীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতারা বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেলের জন্য আন্দোলন করে আসছি তার পেক্ষিতে সরকার পে কমিশন গঠন করে। কমিশনের রিপোর্টও এখন সরকারের হাতে কিন্তু তারপরেও সরকার গেজেট প্রকাশে যে গড়িমসি করছে। তার প্রতিবাদে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশের দাবিতে আমাদের এই অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, আমরা আশা করছি আমাদের এ দাবির সাথে যারা এখনো একাত্বতা ঘোষণা করেননি তারাও একাত্বতা ঘোষনা করবেন।’

তারা বলেন, ‘আমাদের এই দাবির সাথে সকল কর্মকর্তা মহোদয়দের অংশ নেয়ার জন্য আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানাই। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোন ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত না আসায় আমাদের কর্মসূচি আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।আমাদের ঘোষিত সময়ের মধ্যেও সরকার দাবি মেনে না নিলে সারা বাংলাদেশের সকল কর্মচারীদের নিয়ে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী ভূখা মিছিলসহ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।’

তারা আরও বলেন, ‘সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই আমরা সব সময় শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে ছিলাম, অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছিলাম বৈষম্যবিরোধী এই সরকার কর্মচারিদের মুখে হাসি ফুটাতে একটি বৈষম্যমুক্ত পে স্কেল দিবেন। কিন্তু তাদের তালবাহানা কর্মচারীদের অশান্ত করে তুলেছে। এর দায় সম্পূর্ণভাবে এই সরকারের। কর্মচারীদের প্রতি দিনের পর দিন অবহেলা এবং তুচ্ছ তাচ্ছিল্য মনোভাব কর্মচারীদের মনের আগুন দ্বিগুণ করে দিয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় পে স্কেলের মতো মৌলিক অধিকার বছরের পর বছর আন্দোলন করে বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে। 

আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি ৬ তারিখের পূর্বে সরকার যদি বৈষম্যমুক্ত পে স্কেলের গেজেট বাস্তবায়ন করেন তাহলে আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে ৬ তারিখে আনন্দ শোভাযাত্রা করবো। আর যদি সরকার গেজেট জারি না করে তাহলে আমাদের ঘোষিত ভূখা মিছিল শোক মিছিলে পরিণত হতে পারে!! সেই মিছিল শেষে আরো কঠোর কর্মসূচি আসবে যা সরকারের ধারনার বাইরে। তাই সরকারকে আবারো সকল কর্মচারীদের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানাই যাতে কর্মসূচির পূর্বেই পে-স্কেলের গেজেট প্রণয়ন করে কর্মচারীদের মুখে হাসি ফুটিয়ে দেন।’

ভাত খেলেই কী ভুঁড়ি বাড়ে? যা জানালেন পুষ্টিবিদ
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
মায়ের অসমাপ্ত স্বপ্ন, নীলার ছয় বছরের লড়াই আর একটি থিসিস ডিফ…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
‘বাবা, তুমি মাকে আংটি পড়িয়ে বিয়ের প্রস্তাব দাও’
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
আলভারেজের দলবদলের স্বপ্নে ভাটা, ফিরলেন আতলেতিকোর অনুশীলনে
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
ফাইনালের পর ফের ‘সহিংস আচরণ’, বিতর্কে আর্জেন্টাইন তারকা ফুট…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
‘পরশু নয়, কালকেই লং মার্চ টু ঢাকা’— সাত শব্দেই বদলে গিয়েছিল…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬