নবীন ফ্যাশন © সংগৃহীত
ব্যবসা পরিচালনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নবীন ফ্যাশন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে জানানো হয়েছে, ২০২৮ সালে নবীন ফ্যাশন ৪০ বছর পূর্ণ করবে। একই সঙ্গে পরবর্তী ৪০ বছর প্রতিষ্ঠানটি কোন নীতিতে চলবে, সেই নীতিমালাও নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) নিজেদের ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
স্ট্যাটাসে বলা হয়, ২০২৮ সাল পর্যন্ত নয়, বরং ২০৬৮ সাল পর্যন্ত নবীন ফ্যাশন কীভাবে পরিচালিত হবে, তার নীতিমালা এখন থেকেই তৈরি করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে হযরত ওসমান (রাদিআল্লাহু তাআ’লা আনহু) রেখে যাওয়া অর্থ দিয়ে তৈরি একটি ট্রাস্টের নীতিমালা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ওই ট্রাস্টের মতো উপার্জিত অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হবে, তা ২০২৮ সালে প্রকাশ করা হবে ইনশাআল্লাহ।
নবীন ফ্যাশনের স্ট্যাটাসে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির সকল ব্যবসা সার্কেল ৪০ সংখ্যা অনুযায়ী করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির ৪০ জনের ৪০ মেশিনের টিম রয়েছে। একইভাবে ৪০টি ডিজাইন, ৪০টি রং, ৪০ জন সাপ্লায়ার এবং প্রতি লটে ৪০ হাজার গজ কাপড় ব্যবহার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ৪০টি নিজস্ব শাখা রয়েছে এবং ৪৪০টি এজেন্সির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ৪০টি দেশে নবীন ফ্যাশনের পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
স্ট্যাটাসে দাবি করা হয়, তাদের তৈরি প্রতিটি পাঞ্জাবিতেও ৪০টি জয়েন্ট রাখা হয়। এছাড়া ৪০ জন ওমরাহর হাজ্বযাত্রী, ৪০ দিন, ৪০ মাস এবং ৪০ বছর এই সংখ্যাকে কেন্দ্র করেই ব্যবসার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এখন থেকেই ২০৬৮ সাল পর্যন্ত ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নীতি তৈরি করা হচ্ছে বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, একসময় এই প্রতিষ্ঠান সরকার পরিচালনায় চলবে ইনশাআল্লাহ।
স্ট্যাটাসে একজন মানুষের মৌলিক চাহিদা হিসেবে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার কথা উল্লেখ করে নবীন ফ্যাশন জানিয়েছে, আমরা একটির চাহিদা পূরণ করে মানবিক মর্যাদা উন্নতি করে দেশের সাধারণ মানুষের সেবা ও দেশের সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই। আমরা প্রতিটি গ্রাহকের কাছে ন্যায্য দামে ভালো পন্য বিক্রয় করে ইনসাফ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইনশাআল্লাহ।