মাউশি © ফাইল ফটো
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ফ্রিকোয়েন্সি অনুযায়ী বার্ষিক পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। পরিদর্শনের কার্যকারিতা বাড়াতে বিদ্যালয়গুলোকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে নতুন মনিটরিং কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। মাউশির মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন উইং পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. কাজী কাইয়ুম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শিক্ষার মান উন্নয়ন, একাডেমিক সুপারভিশন এবং মনিটরিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ঝুঁকি ও পারফরম্যান্স বিবেচনায় এই ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিএমএস (DMS) অ্যাপের মাধ্যমে মনিটরিং ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী— ক্যাটাগরি-এ বিদ্যালয়ে প্রতি তিন মাসে একবার পরিদর্শন করা হবে, বছরে মোট চারবার। ক্যাটাগরি-বি বিদ্যালয়ে প্রতি ছয় মাসে একবার পরিদর্শন হবে, বছরে দুইবার। ক্যাটাগরি-সি বিদ্যালয়ে প্রতি ৪৫ দিনে (দেড় মাসে) একবার পরিদর্শন করা হবে, বছরে আটবার। আর ক্যাটাগরি-ডি (High Risk) বিদ্যালয়ে প্রতি মাসে একবার করে বছরে মোট ১২ বার পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া প্রতিটি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তার জেলার উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী ২০ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে পরিদর্শন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করবেন। নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন করে ২৮ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ডিএমএস অ্যাপ বা ড্যাশবোর্ডে তথ্য ইনপুট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিটি জেলা ও উপজেলা/থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসে ন্যূনতম ৫টি বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন। যেসব প্রতিষ্ঠান বর্তমানে পিইউ (PU) বা Undefined হিসেবে ডিএমএসে চিহ্নিত রয়েছে, সেগুলোতে অতিরিক্ত বা প্রয়োজনে একাধিকবার মনিটরিং করা হবে।
মাউশির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার গুণগত মান, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা এবং জবাবদিহি আরও সুসংহত হবে।