নিহত যুবক © টিডিসি ফটো
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় মাত্র ৬০০ টাকা পাওনা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মো. শাকিল মিস্ত্রি (২৭) নামে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে তিনি মারা যান।
এর আগে শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আড়ালিয়া গ্রামের কেরানির দোকান সংলগ্ন এলাকায় শাকিলকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতাল এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত শাকিল দক্ষিণ আড়ালিয়া গ্রামের মো. ইউনুস মিস্ত্রির ছেলে। অভিযুক্ত তামিম একই এলাকার নুরনবী মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাকিলের ছোট ভাই রাকিবের কাছে তামিমের ৬০০ টাকা পাওনা ছিল। শনিবার বিকেলে ক্রিকেট খেলা চলাকালে ওই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে রাকিব ও তামিমের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় শাকিল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
তবে সন্ধ্যার দিকে পূর্বের ঘটনার জের ধরে তামিম পুনরায় শাকিলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তামিম ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে শাকিলের মাথায় আঘাত করেন। গুরুতর আহত হয়ে শাকিল ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ইউনুস মিস্ত্রি রোববার সকালে তজুমদ্দিন থানায় তামিমকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, 'এ ঘটনায় একটি এজাহার গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'