শরিফুল ইসলাম ও মিচেল স্টার্ক © সংগৃহীত
বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র দুই দিনেই শেষ হয় ম্যাকাই টেস্ট। পুরো ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত বোলিং করে টাইগার ব্যাটারদের ভুগিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচ ও সিরিজের সেরা খেলোয়াড়ও হন তারকা এই পেসার।
এদিকে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় তখন পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চ প্রস্তুতিতে ব্যস্ত আয়োজকেরা। দর্শকেরা নেমে পড়েছেন মাঠে, আর দুই দলের ক্রিকেটাররা মঞ্চের আশপাশে গল্পে মেতে উঠেছেন। এরই মাঝে ফক্স ক্রিকেটের ক্যামেরায় ধরা পড়ে পুরস্কার বিতরণীর আগে স্টার্কের সঙ্গে শরিফুল ইসলামের আলাপের দৃশ্য। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের ও ফিজিও বায়েজিদুল ইসলামও ছিলেন। স্টার্ককে একের পর এক প্রশ্ন করে বোলিংয়ের টোটকা নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন শরিফুল। বেশ আন্তরিকভাবেই তার প্রশ্নগুলোর উত্তর দিচ্ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান পেসারও।
ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই দিন পর মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্টার্কের সঙ্গে সেই আলাপচারিতার বিষয়টি খোলাসা করেছেন শরিফুল। কীভাবে অস্ট্রেলিয়ান তারকার কাছ থেকে বোলিংয়ের পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করেছেন, সেটিও জানিয়েছেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসার।
এই পেসার বললেন, 'যখন খেলাটা শেষ হলো, তখন আমি স্টার্ককে বললাম, 'আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই, আপনি কি একটু সময় দেবেন?' বলল, “হ্যাঁ, অবশ্যই।”
শরিফুল যোগ করেন, 'স্টার্ককে জিজ্ঞেস করলাম কীভাবে একটা সিরিজের আগে ফিটনেস নিয়ে কাজ করে বা কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে। যেহেতু উনি বলতেছিল যে উনার বয়সটাও একটু বেশি, ৩৬, উনার ভিন্ন প্রস্তুতি থাকে, আমাদের হয়তো ভিন্ন। তারপরে কীভাবে ফিটনেস মেইনটেইন করে খেলার পরে, এগুলো নিয়েই কথা হয়েছে।'
এদিকে ম্যাকাইয়ে স্টার্কের মতো বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন শরিফুল। একমাত্র ইনিংসে ৭ উইকেট নেন। ক্যামেরন গ্রিনকে করা ইয়র্কারে প্রশংসায়ও ভাসছেন বাঁহাতি এই পেসার। এ নিয়ে শরিফুলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সাকিব আল হাসানও।
শরিফুল বলেন, 'আগে যারা কোচ ছিলেন তাদের সাথে কথা হয়েছে। এমনকি সাকিব (ভাই) আমাকে বার্তা পাঠাচ্ছিলেন এবং বলছেন, 'ওয়েল ডান, কংগ্রাচুলেশনস।'
অন্যদিকে অনেক সময় টিম কম্বিনেশনের কারণে একাদশে সুযোগ মেলে না শরিফুলের। এ নিয়ে তিনি বলেন, 'টিম কম্বিনেশনের কারণে একটু বাইরে থাকতে হয়, কিন্তু আমি তাও প্রস্তুত থাকি। যে কোনো সময় আমি প্রস্তুত খেলার জন্য।'