তামিম ইকবাল © সংগৃহীত
আসন্ন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) সামনে রেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যেখানে খেলোয়াড়দের জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে মাঠে ৪-৫টি আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্রিকেটারদের ফিটনেস উন্নত করতে প্রচলিত ভাত-ভর্তা-মাংসের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাবার সরবরাহ করা হবে।
এ নিয়ে বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল জানান, ডিপিএল চালু করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, যা বর্তমান কমিটি সফলভাবে অতিক্রম করেছে। আগামী ৪ মে থেকে শুরু হতে যাওয়া এই লিগে প্রতিটি দিনেই অনুষ্ঠিত হবে ৬টি ম্যাচ, অর্থাৎ প্রতিটি রাউন্ডের সব খেলা একই দিনে সম্পন্ন হবে।
শনিবার (২ মে) মিরপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিগের বিভিন্ন দিক ও নতুন উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন তিনি।
তামিম বলেন, ‘আমাদের ক্রিকেটের ইকোসিস্টেমের সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টগুলোর একটি (ডিপিএল) প্লেয়ারদের জন্য। এটাকে আয়োজন করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ, জানেন, গত কয়েক মাস ধরে ক্রিকেট প্রায় স্থির (স্টিল) অবস্থায় ছিল। আমরা যখন দায়িত্ব পেয়েছি, আমাদের জন্য প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল, ডিপিএল এবং অন্যান্য লিগগুলো কীভাবে মাঠে ফেরত নিয়ে আসতে পারি। আমরা প্রথম বা দ্বিতীয় দিনেই সবগুলো ক্লাবকে ডেকে আলোচনা করি, যা তাদেরকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। ডিপিএল হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের মেরুদণ্ড, অনেক প্লেয়ার নিজেদের সারা বছরের আয় করে এখান থেকে। সাথে এই খেলাগুলো অনেক জরুরি প্লেয়ারদের জন্য।’
বিসিবিপ্রধান বলেন, ‘৪ মে প্রথম ম্যাচ। এবার এক দিনে ৬টি করে ম্যাচ, ৬টি ভেন্যুতে। এক রাউন্ডের সব ম্যাচ একদিনেই। আমরা ইতোমধ্যে ২-৩ মাস দেরি করে ফেলেছি। সাথে এখন বর্ষাকাল, এজন্য আমরা প্রতি ম্যাচের রিজার্ভ ডেও রাখছি। বিকেএসপি আসা যাওয়া বড় একটা ঝামেলা সবার জন্য। প্লেয়াররা অনেকে চোটে পড়ছে, অনেকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। অই দুটো মাঠ আমরা ব্যবহার করব তবে সাথে বিকল্প মাঠ প্রস্তুত রাখলে সেখানেও খেলা যাবে, মাঝেমধ্যে বিকেএসপি যেতে হবে। যত বেশি মাঠে খেলা হবে আমাদের জন্য ভালো হবে।’
তামিম আরও বলেন, ‘আরেকটা ব্যাপার নতুন করে হয়েছে এবার, আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স। গত কয়েক বছরের ইতিহাস দেখলে দেখবেন ৪-৫টি ঘটনা ঘটেছে মাঠে। অনেকেই ইন্তেকাল করেছেন, আমি অনেক ভাগ্যবান থাকায় বেঁচে গিয়েছিলাম। আমার মনে হয়, এটা বিসিবির দায়িত্ব, সবাই (নিরাপদ আছে)। আমাদের প্রতিটা মাঠেই অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স পাওয়াটা একটা চ্যালেঞ্জ। এরপরেও আমার মনে হয় ৪-৫টা আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিকেএসপির ২ মাঠে একটা হয়ত থাকবে। নিশ্চিত করতে চাই এই রকম ঘটনা যদি আল্লাহ মাফ করুক আবার কারও সাথে ঘটে আমরা যেন প্রস্তুত থাকতে পারি।’