সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন তামিম ইকবাল © সংগৃহীত
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরবর্তী নির্বাচনের লক্ষ্যে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এনএসসির নির্দেশনায় পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, তিন মাসের এই কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং সেই ডেডলাইনের সুনির্দিষ্ট তারিখও উল্লেখ করা হয়েছে।
এনএসসি জানিয়েছে, আগামী ৩ মাসের মধ্যে নতুন করে বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগপর্যন্ত বোর্ড পরিচালনার জন্য ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এর সভাপতি সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এনএসসি। বিসিবি নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়ম পাওয়া গেছে দাবি করে বোর্ড ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি আইসিসিকেও অবহিত করা হয়।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) টিটন খীসা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ক্রীড়া পরিষদ জানায়, গঠিত অ্যাডহক কমিটি আগামী ৩ (তিন) মাস অর্থাৎ ০৬ জুলাই ২০২৬ খ্রি. এর মধ্যে অবশ্যই নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। অর্থাৎ বর্তমান পর্ষদকে আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যেই নির্বাচন সম্পন্ন করে নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব তুলে দিতে হবে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) দাবি করেছে, বিসিবির বোর্ড নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের দুর্বলতা, অনিয়ম ও কারচুপির প্রমাণ মিলেছে। এ প্রেক্ষিতে এনএসসি ইতোমধ্যে আইসিসির কাছে ইমেইল পাঠিয়েছে এবং সেই বার্তায় বর্তমান কমিটিকে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। আপাতত ১১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এই আহ্বায়ক কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে একটি নির্বাচিত কমিটি গঠন করতে হবে। অর্থাৎ আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যেই বিসিবির নতুন নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়কালে আহ্বায়ক কমিটি নির্বাচিত বোর্ডের মতোই পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে ক্রিকেট পরিচালনা করবে, যা নিঃসন্দেহে একটি কঠিন দায়িত্ব।
একদিকে অস্থির পরিস্থিতিতে বোর্ড পরিচালনা, অন্যদিকে নতুন নির্বাচনের প্রস্তুতি; দুই দিক সামলাতে হবে একসঙ্গে। তাই স্বল্প সময়ের মধ্যে বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে তামিমের নেতৃত্বাধীন এই বোর্ড।