বাংলাদেশ দল © সংগৃহীত
পেন্ডুলামের মতো দুলছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিলেট টেস্ট। বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ৪৩৭ রান তাড়া করতে বিশ্বরেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে। তবে রিজওয়ান-শানরা সাহস করে সেদিকেই এগোচ্ছেন। যদিও পঞ্চম দিনে আর ৩টি উইকেট তুলে নিতে পারলেই জিতে যাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রয়োজন ১২১ রান।
লিটন-শান্তদের স্লেজিং আর রিজওয়ানদের সময় নষ্টের চেষ্টা, খেলার ফাঁকে কথার লড়াই- সব মিলিয়ে জমে ক্ষীর সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট। শান মাসুদের ৭১, বাবর আজমের ৪৭, আঘা সালমানের ৭১ রানের ইনিংসে পাকিস্তান দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছেন রিজওয়ান। ষষ্ঠ উইকেটে সালমানকে নিয়ে রিজওয়ানের ১৩৪ রানের জুটিই জয়ের স্বপ্ন দেখায় পাকিস্তানকে।
সালমান বিদায় নেওয়ার পরপর হাসান আলীকেও ফেরান তাইজুল। তবে ১৩৪ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত রিজওয়ান এখনও হুমকি হয়ে ক্রিজে রয়ে গেছেন। ৮৬ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩১৬, ৭ উইকেটে। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল পেয়েছেন ৪ উইকেট।
এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে লিটন দাসের ১৫৯ বলে গড়া ১২৬ রানের ইনিংসে ২৭৮ রান জড়ো করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি ও মোহাম্মদ আব্বাস তিনটি উইকেট শিকার করেন।
জবাব দিতে নেমে বাবর আজমের ৬৮ ও সাজিদ খানের ঝড়ো ৩৮ রানে ভর করে ২৩২ রান জড়ো করতে সমর্থ হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশ পায় ৪৬ রানের লিড। টাইগারদের পক্ষে নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম তিনটি করে এবং তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরিতে ভর করে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান সংগ্রহ করে। এতে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান। ২৩৩ বলে ১৩৭ রান করেন মুশফিক। এছাড়া মাহমুদুল হাসান জয় ৬৪ বলে ৫২ ও লিটন দাস ৯২ বলে ৬৯ রান করেন। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি ও সাজিদ খান তিনটি উইকেট পান।