বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের প্রত্যেককে ৫০ লাখ করে জরিমানা

০২ মার্চ ২০২৬, ০২:০৭ PM , আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬, ০২:০৯ PM
বাবর আজম-সালমাল আলি আগা

বাবর আজম-সালমাল আলি আগা © সংগৃহীত

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট থেকেই ছিটকে গেছে পাকিস্তান। দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স ঘিরে চলছে ব্যাপক অসন্তোষ ও তীব্র প্রতিক্রিয়া। এমন ফলের জেরে ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হওয়ায় দলটির প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি করে জরিমানা গুনতে হবে। এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। 

এবারের বিশ্বমঞ্চে গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট মিলিয়ে ৬টি ম্যাচ খেলেছে দ্য গ্রিন ম্যানরা। যেখানে গ্রুপ পর্বে নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জিতলেও ভারতের কাছে অতীত অধ্যায় মুছে জয় ছিনিয়ে নিতে পারেনি সালমান আলি আঘার দল। 

এ ছাড়া সুপার এইটে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ার পর ইংল্যান্ডের সঙ্গে হেরে বিশ্বকাপ থেকেই কার্যত ছিটক যায় দলটি। শেষ ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ১৪৭ রানের সহজ অঙ্ক কষা হয়ে উঠেনি দ্য গ্রিন ম্যানদের।

প্রতিবেদনে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে ৬১ রানের বড় পরাজয়ের পর জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্র বলছে, খেলোয়াড়দের পিসিবি কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এখন থেকে শুধু পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে।

সূত্রটি আরও জানায়, এরই মধ্যে দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়েছে। ভারতের কাছে হারার পরপরই দলকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে এও বলা হয়, বর্তমানে বছরে বড় অঙ্কের আয় করেন পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেটাররা। একজন ‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড় মাসে ৪৫ লাখ রুপি বেতনের পাশাপাশি আইসিসির রাজস্বের অংশ হিসেবে ২০ দশমিক ৭ লাখ রুপি পান। ‘বি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়েরা মাসিক ৩০ লাখ রুপির সঙ্গে আইসিসির অংশ হিসেবে পান ১৫ দশমিক ৫২৫ লাখ রুপি। এ ছাড়া ‘সি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের জন্য মাসিক বেতন ১০ লাখ ও আইসিসির অংশ ১০ দশমিক ৩৫ লাখ; ‘ডি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের জন্য মাসিক বেতন ৭ দশমিক ৫ লাখ ও আইসিসির অংশ ৫ দশমিক ১৭৫ লাখ রুপি। এর বাইরে স্কোয়াডে থাকলে পাওয়া যায় ম্যাচ ফি।

এদিকে বিশ্বকাপে দলটির পারফরম্যান্স নিয়েও সমালোচনা থামছে না। সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিয়াঁদাদ বলেছেন, বড় আসরে নিজেদের প্রমাণে পাকিস্তান আবারও ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, আধুনিক টি–টোয়েন্টিতে পিছিয়ে পড়ছে পাকিস্তান।

সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফের মতে, দীর্ঘদিন সুযোগ দেওয়া হলেও বড় আসরে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি কয়েকজন ক্রিকেটার। এখন ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এগোনোর সময়। 

অন্যদিকে বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম, বর্তমান অধিনায়ক সালমান আলি আগা, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ নওয়াজের মতো জ্যেষ্ঠ ক্রিকেটাররা সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এতে নেতৃত্ব থেকে সালমান সরে দাঁড়াতে পারেন বলেও গুঞ্জন উঠেছে।

মিটফোর্ড হাসপাতালে চুরিতে অতিষ্ঠ হয়ে কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চ…
  • ০২ মার্চ ২০২৬
ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় এবার বাহরাইনে এক বাংলাদেশির মৃত্…
  • ০২ মার্চ ২০২৬
ঢাবির ইফতার মেনুতে অবশেষে যুক্ত হচ্ছে গরুর মাংস, বাদ মুরগি
  • ০২ মার্চ ২০২৬
জাতীয় পতাকা জাতির পরিচয়, ঐক্য ও জাগরণের প্রতীক: ঢাবি উপাচার…
  • ০২ মার্চ ২০২৬
নানার বিরুদ্ধে ৯ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
  • ০২ মার্চ ২০২৬
জনবল নিয়োগ দেবে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, আবেদন শেষ ৮ মার্চ
  • ০২ মার্চ ২০২৬