আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বড় ধরনের ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া। ইনজুরির কারণে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন অভিজ্ঞ অজি পেসার জশ হ্যাজেলউড। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) আজ এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ৩৫ বছর বয়সী এই পেসারের বিশ্বকাপ না খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর ফলে ২০১১ সালের পর এই প্রথম কোনো বিশ্বকাপে হ্যাজেলউড, কামিন্স ও স্টার্ক—এই তিন অভিজ্ঞ পেসারকে ছাড়াই মাঠে নামতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে।
দীর্ঘদিন ধরে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে ভোগা হ্যাজেলউডের অংশগ্রহণ নিয়ে আগে থেকেই শঙ্কা ছিল। গত বছরের নভেম্বর থেকে মাঠের বাইরে থাকা সত্ত্বেও তাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক দলে রাখা হয়েছিল। জাতীয় দলের নির্বাচক টনি ডোডেমাইড কিছুদিন আগেও আশা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমরা আশা করছি বিশ্বকাপে খেলতে পারবে হ্যাজেলউড, তবে প্রথম কয়েক ম্যাচ তাকে পাবে না দল।’ কিন্তু পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আশানুরূপ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো।
অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে হ্যাজেলউডের অনুপস্থিতি এক বিরাট শূন্যতা তৈরি করেছে। এর আগে ইনজুরির কারণে ছিটকে যান প্যাট কামিন্স এবং গত বছর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানান মিচেল স্টার্ক। ফলে দলটির বিশ্বজয়ী ত্রয়ী পেস আক্রমণ ছাড়াই এবার মাঠে লড়তে হবে। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হওয়ার পর বোলিং লাইন আপ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া যখন দুশ্চিন্তায়, তখন হ্যাজেলউডের ছিটকে যাওয়া দলের সংকট আরও বাড়িয়ে দিল।
পেস আক্রমণে দুর্বলতা তৈরি হলেও এবারের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া স্পিন বিভাগকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সাব-কন্টিনেন্টের কন্ডিশন বিবেচনায় দলে দুইজন অভিজ্ঞ স্পিনার এবং দুইজন স্পিন অলরাউন্ডার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখন অভিজ্ঞদের অবর্তমানে তরুণ বোলারদের ওপরই মূল ভরসা রাখতে হচ্ছে অজি ম্যানেজমেন্টকে।
অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড: মিচ মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনলি, টিম ডেভিড, বেন ডোয়ার্শুইস, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুহনেম্যান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথু রেনশ, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা। ভ্রমণকারী রিজার্ভ: শন অ্যাবট।