দক্ষিণ আফ্রিকা দল © সংগৃহীত
অধিনায়ক এইডেন মার্করামের মারমুখী ব্যাটিং নৈপুণ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের সেমিফাইনালের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সুপার এইটে গ্রুপ-১ এ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে দু’বারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে হারায় প্রোটিয়ারা। এই জয়ে ২ ম্যাচে ২ জয়ে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে সেমিফাইনালের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে দলটি।
সমানসংখ্যক ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে সেমিফাইনালে খেলার আশা এখনও টিকে আছে ক্যারিবীয়দের। পাশাপাশি এই গ্রুপের অন্য দুই দল ভারত ও জিম্বাবুয়েরও সেমির আশা বেঁচে আছে। দু’দলই একটি করে ম্যাচ খেলে এখনও জয়ের দেখা পায়নি।
ভারতের আহমেদাবাদে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই পেসার কাগিসো রাবাদা ও লুঙ্গি এনগিডির তোপে ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সাজঘরে ফেরা ৭ ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ রান করেন ওপেনার ব্র্র্যান্ডন কিং।
খাদের কিনারায় ছিটকে পড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে তুলেন জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ড। অষ্টম উইকেটে ৫৭ বলে ৮৯ রান যোগ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৬ রানের পুঁজি এনে দেন তারা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অষ্টম উইকেটে এটি সর্বোচ্চ রানের বিশ্বরেকর্ড। আগের বিশ্ব রেকর্ডটি ছিল স্কটল্যান্ডের প্রেস্টন মমসেন ও সাফিয়ান শারিফের। ২০১৫ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অষ্টম উইকেটে ৮০ রান যোগ করেছিলেন তারা।
এ ছাড়া টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপে অষ্টম উইকেটে আগের সর্বোচ্চ ছিল ৭০ রান। ২০২২ সালের আসরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৭০ রানের জুটি গড়েছিলেন নামিবিয়ার ডেভিড ভিসা ও রুবেন ট্রাম্পেলমান।
হোল্ডার ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৩১ বলে ৪৯ রান করেন। ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৩৭ বলে অপরাজিত ৫২ রান করেন শেফার্ড। অন্যদিকে এনগিডি তিনটি, রাবাদা ও কর্বিন বশ দুটি করে উইকেট নেন।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ ওভারে ৯৫ রানের সূচনা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জুটিতে চারটি করে চার-ছক্কায় ২৪ বলে ৪৭ রান করে ফেরেন ওপেনার কুইন্টন ডি কক। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ বলে ৮২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ২৩ বল বাকি থাকতে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় নিশ্চিত করেন মার্করাম ও রিকেলটন।
৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৬ বলে ৮২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরা হন মার্করাম। ৪ বাউন্ডারি ও ২ ওভার বাউন্ডারিতে ২৮ বলে অনবদ্য ৪৫ রান করেন রিকেলটন।