রিংকু সিং ও তার বাবা © টিডিসি ফটো
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝেই পিতৃবিয়োগের শোক স্তব্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার রিংকু সিংকে। চতুর্থ স্তরের ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে শুক্রবার গ্রেটার নয়ডার যথার্থ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তার বাবা খানচাঁদ সিং। বাবার মৃত্যুর সময় রিংকু জাতীয় দলের সঙ্গেই অবস্থান করছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বাবাকে দেখতে বাড়ি ফিরেছিলেন রিংকু। তবে খানচাঁদ সিংয়ের শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় একপর্যায়ে তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে নিতে হয়। বাবার সংকটজনক অবস্থা সত্ত্বেও কর্তব্যের খাতিরে রিংকু সময়মতো দলে যোগ দেন। যদিও ম্যাচের মূল একাদশে তার জায়গা হয়নি, তবে সঞ্জু স্যামসনের বদলি ফিল্ডার হিসেবে তিনি মাঠে নেমেছিলেন।
রিংকু সিংয়ের আজকের মহাতারকা হয়ে ওঠার পেছনে তার বাবার অবদান ছিল অনস্বীকার্য। আলিগড়ে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহের কাজ করা খানচাঁদ সিং প্রবল আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ছেলের ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছিলেন। বাবার সেই আত্মত্যাগই রিংকুকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
রিংকুর বাবার প্রয়াণে ক্রিকেট অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ভারতের সাবেক অফ স্পিনার হরভজন সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘রিংকু সিংয়ের বাবা শ্রদ্ধেয় খানচাঁদ সিংজির মৃত্যু সংবাদে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বিশ্বকাপ চলাকালে রিংকু ও তার পরিবারের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি কঠিন সময়। তাদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা ও প্রার্থনা রইল। সৃষ্টিকর্তা যেন বিদেহী আত্মাকে শান্তি দেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শূন্যতা সইবার শক্তি ও সাহস দেন।’