চিদাম্বরম স্টেডিয়াম © টিডিসি ফটো
চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচের আগে মাঠে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ স্প্রে করেছে ভারত। শিশিরের প্রভাব কমাতে চিদাম্বরম স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত ‘ডিউ কিউর’। সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে জয় যখন অনিবার্য, তখন রাতের ম্যাচে বোলিংয়ে সমস্যা এড়াতেই এই পদক্ষেপ।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সুপার এইটের ‘গ্রুপ ১’-এ মুখোমুখি হবে ভারত ও জিম্বাবুয়ে। সপ্তাহজুড়ে চেন্নাইয়ের তাপমাত্রা বেড়েছে। ফলে রাতে অতিরিক্ত শিশির পড়ার আশঙ্কা ছিল। সেই ঝুঁকি কমাতেই আগাম ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড সংস্কারের সময় তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এই রাসায়নিক আমদানি করে। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবল ভেন্যুগুলোতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার ও বুধবার বিকেলে মাঠকর্মীরা পানির সঙ্গে মিশিয়ে ডিউ কিউর ছিটিয়েছেন। আজ বিকেলেও আরও একবার স্প্রে করার পরিকল্পনা রয়েছে। ম্যাচ শুরুর আগেই যেন এটি পুরো কার্যকর হয়, সেটাই লক্ষ্য।
এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘ডিউ কিউর ছিটানোর পর ঘাসের পাতায় আর্দ্রতা জমতে পারে না। ভিজে উঠলেই তা শোষিত হয় এবং ঘাস দ্রুত শুকিয়ে যায়।’
গতরাতের অনুশীলনের পর ভারতের খেলোয়াড়রা মাঠের কন্ডিশন পরীক্ষা করেছেন। তারা বর্তমান পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাতের ম্যাচে সাধারণত দ্বিতীয় ইনিংসে শিশির বাড়ে। তখন ব্যাটিং সহজ হয়। বোলারদের জন্য বল গ্রিপ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
সেমিফাইনাল ও ফাইনালেও এই রাসায়নিক ব্যবহার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী আইপিএলে সব ভেন্যুতে এটি বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনাও করছে বিসিসিআই।
ভারতের সামনে সমীকরণ কঠিন। জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাকি ম্যাচ জিততেই হবে। পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলোর ফলাফলের দিকেও।