বাংলাদেশ ক্রিকেট দল © সংগৃহীত
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় ক্রিকেটারদের আর্থিক ও পেশাদার লোকসান পুষিয়ে দিতে দেশে একটি বড় ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার ও বিসিবি।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি আইসিসি অগ্রাহ্য করায় এবারের আসরে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে যুক্ত করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ মিস করার এই ক্ষতি লাঘব করতে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলম।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আর্থিক বিষয় তো জড়িয়ে আছেই, তবে সবার আগে আমাদের কাছে নিরাপত্তার বিষয়। উপদেষ্টা ইতোমধ্যে বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি দেশেই একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করার। বিসিবি সভাপতির মাধ্যমে আপনারা খুব শীঘ্রই বিস্তারিত জানতে পারবেন।’
মাহবুব-উল-আলম আরও বলেন, সরকার সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনা না করলেও বিসিবির মাধ্যমেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এই টুর্নামেন্টের বিশেষত্ব হলো, এখানে কেবল বিশ্বকাপের ১৫-২০ জন সদস্যই নন, বরং দেশের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় ও উদীয়মান ক্রিকেটাররাও খেলার সুযোগ পাবেন।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলে তো শুধু সীমিত সংখ্যক খেলোয়াড়। একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করলে এর বাইরেও যারা প্রমিনেন্ট ক্রিকেটার আছেন, তাদেরও নিতে হবে। যাতে সবাই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যে থাকতে পারে।’ মূলত ক্রিকেটারদের খেলার মধ্যে রাখা এবং তাদের সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি কিছুটা লাঘব করাই এই বিশেষ টুর্নামেন্টের প্রধান লক্ষ্য।