বিপর্যয়ে নোয়াখালি এক্সপ্রেস © টিডিসি ফটো
ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই শুরু হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ব্যাটিং বিপর্যয়। দলীয় ২৮ রানে ৪ বলের ব্যবধানে জোড়া উইকেট হারানোর পর ইনিংসের সপ্তম ওভারেও ২ উইকেট খুইয়ে ফেলে বেশ বিপাকে পড়ে দলটি।
মাঝে তিন ওভারের বিরতিতে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিললেও নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে সেই প্রতিরোধও ভেঙে পড়ে। পরে ১৫ রানের মধ্যেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে ৬ ব্যাটারই বিদায় নেন।
শুরুতেই সৌম্য সরকারকে ফেরানো নাসুম ১১তম ওভারের পঞ্চম বলে হায়দার আলীকেও সাজঘরে পাঠান। শেষ ওভারে এসে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন সিলেটের এই স্পিনার। ১৩তম ওভারে টানা দুই বলে মেহেদী হাসান রানা ও জহির খানকে আউট করেন।
হ্যাটট্রিকের সুযোগ নষ্ট হলেও পরের বলেই বিলাল সামিকে ফিরিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট। মাত্র ৮ বলেই ৫ শিকার, ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে অসাধারণ স্পেল নাসুমের।
শেষ পর্যন্ত ১৫তম ওভারে মোহাম্মদ আমির ইনিংসসেরা ২৫ রান করা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে আউট করলে মাত্র ৬১ রানেই গুটিয়ে যায় নোয়াখালী।
এটি বিপিএলের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। এই তালিকায় ৪৪ রান করে সবার উপরে খুলনা, ২০১৬ সালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল রংপুর।