ভারত থেকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরানোর প্রক্রিয়া শুরু, ক্ষতি কমাতে ৩ বিকল্প

০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৪ PM , আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৯ PM
 বাংলাদেশ দল

বাংলাদেশ দল © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্যদেশে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আইসিসির কাছে আনুষ্ঠিকভাবে চিঠি পাঠায়। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, আইসিসির চেয়ারম্যান অমিত শাহের নেতৃত্বে বিশ্বকাপের নতুন শিডিউল তৈরি করার কাজ শুরু হয়েছে। 

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নিলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কি ধরণের ক্ষতি হতে পারে তা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা। 

এখন প্রশ্ন, এর ফলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা আইসিসি-র আর্থিক ক্ষতি কতটা হবে, বা আদৌ কোনও ক্ষতি হবে কি না। পুরোটাই নির্ভর করছে আইসিসি-র সিদ্ধান্তের উপর। বাংলাদেশের ম্যাচগুলি কি শেষ পর্যন্ত সত্যিই সরিয়ে নেওয়া হবে, না কি কোনও ভাবে অদলবদল করা হবে বা অন্য ম্যাচের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। এর উপরই নির্ভর করবে ভারতের কতটা ক্ষতি হবে।

গ্রুপ পর্বে কলকাতা ও মুম্বইয়ে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচ:

• ইডেন গার্ডেন্স, কলকাতা: বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইটালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ড (১৪ ফেব্রুয়ারি)।

• ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বই: বনাম নেপাল (১৭ ফেব্রুয়ারি)।

ইডেনে দর্শক ধরে ৬৩,০০০। ওয়াংখেড়ের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ৩৩,০০০। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ৪টি ম্যাচে প্রায় ২,২২,০০০ টিকিটের বিষয়টি জড়িত। বাংলাদেশের ম্যাচগুলির টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ১০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে।

বিসিসিআই-এর কত ক্ষতি হতে পারে

আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, টিকিটের মালিকানা আইসিসি বিজ়নেস কর্পোরেশনের। যেহেতু ভারতীয় বোর্ড কেবল বিশ্বকাপের আয়োজক, ফলে টিকিট বিক্রির পুরো অর্থ তারা পাবে না। সেই কারণে টিকিট বিক্রির ক্ষতি বোর্ডের গায়ে তেমন লাগবে না।

বিসিসিআই-এর মূল ক্ষতি হতে পারে ম্যাচ-ডে সারপ্লাস (উদ্বৃত্ত আয়), স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং হসপিটালিটি ডিমান্ড (ভিআইপি বক্স) থেকে।

তিনটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি

• পরিস্থিতি ১: যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কলকাতা ও মুম্বইয়ে অন্য কোনও ম্যাচ না দেওয়া হয়

সে ক্ষেত্রে টিকিট বিক্রি বাবদ সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ ৭ থেকে ৩০ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে (যদি ৬০-৯০% দর্শক উপস্থিতি এবং টিকিটের গড় দাম ৫০০-১,৫০০ টাকা ধরা হয়)।

• পরিস্থিতি ২: যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কলকাতা ও মুম্বইয়ে অন্য ম্যাচ দেওয়া হয়

এ ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ অনেক কমে যাবে। কারণ, টিকিট তখনও বিক্রি হবে। যদিও তা নির্ভর করবে কতটা আকর্ষণীয় ম্যাচ দেওয়া হবে, তার উপর। তবে বাংলাদেশ-ইটালি বা বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচের থেকে বেশি আকর্ষণীয় ম্যাচ পাওয়া কঠিন হবে না। কিন্তু সে ক্ষেত্রে যে কেন্দ্র থেকে ম্যাচ সরিয়ে ইডেন বা ওয়াংখেড়েতে দেওয়া হবে, সেই কেন্দ্রগুলি কতটা আপত্তি করবে, সেটিও দেখার বিষয়।

• পরিস্থিতি ৩: ভারত ও শ্রীলঙ্কার সূচির মধ্যে কেন্দ্র অদলবদল করা হয়

আইসিসি যদি কেবল কেন্দ্র বা তারিখ অদলবদল করে ভারতের ম্যাচের সংখ্যা ঠিক রাখে, তবে ক্ষতির পরিমাণ হবে নগণ্য। সে ক্ষেত্রে কেবল লজিস্টিকস এবং নতুন করে পরিকল্পনার খরচটুকুই হবে।

শীতের তীব্রতা কবে কমবে, জানাল আবহাওয়া অফিস
  • ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাতের আঁধারে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
  • ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
১৫ জানুয়ারির পর যৌথ বাহিনীর অভিযান জোরদার হবে: ইসি সানাউল্ল…
  • ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীতে বিদেশি অস্ত্রসহ ৪ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
  • ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
ন্যায় বিচারের আশায় আজও দিন গুনছে পরিবার
  • ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াতের সঙ্গে জোট করায় এনসিপির ৫ নেতার পদত্যাগ
  • ০৭ জানুয়ারি ২০২৬