সাইফ ও সালাহউদ্দিন © সংগৃহীত
নেদারল্যান্ডসের তুলনায় অভিজ্ঞতা আর শক্তিমত্তায় বেশ এগিয়ে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতেই সেটার প্রমাণ মিলেছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) দাপুটে পারফরম্যান্সে ৩৯ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটে জয় পেয়েছে টাইগাররা। এতে, সিরিজে ১-০তে এগিয়ে স্বাগতিকরা।
এই জয়ে বড় ভূমিকা দুই বছর পর জাতীয় দলে ফেরা সাইফ হাসানের। বল হাতে ২ উইকেটের পাশাপাশি ব্যাট হাতে মূল্যবান ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন। অলরাউন্ড এই পারফরম্যান্সের পর ফের আলোচনায় এই ডানহাতি ক্রিকেটার।
অবশ্য, এশিয়া কাপের দল ঘোষণায় নুরুল হাসান সোহানকে ঘিরে যতটা আলোচনা ছিল, সাইফ হাসানের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টো চিত্র। মূলত, একাধিক ভূমিকায় খেলতে পারার সামর্থ্যের কারণেই তার ওপর ভরসা রেখেছিলেন নির্বাচকেরা, আর ডাচদের বিপক্ষে সেটার কিছুটা প্রতিদান দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে এমন প্রত্যাবর্তনের কৃতিত্ব সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনকেই দিয়েছিলেন সাইফ।
একই ভেন্যুতে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সফরকারীদের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নামবে টাইগাররা। এর আগে, ম্যাচ পূরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আসেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
সেখানেই সাইফকে নিয়ে টাইগার কোচ বলেন, ‘আপনাদের আগেও অনুরোধ করেছি, কাউকে খুব তাড়াতাড়ি আকাশে তুলে দেবেন না, খুব তাড়াতাড়ি নিচে নামিয়েও দেবেন না। ভালো খেলেছে, প্রত্যাবর্তন করেছে, এট শক্ত মানসিকতার পরিচয়।’
তিনি এ-ও বলেন, ‘যেকোনো মানুষ যখন ব্যাকফুটে চলে যায়, সেখান থেকে সবাই বেরিয়ে আসতে পারে না। যেহেতু ওর সঙ্গে একটা তকমা ছিল- টেস্ট স্পেশালিস্ট, সাদা বলের খেলোয়াড়, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে যে চরিত্র দেখিয়েছে, এটা আসলে সবার ভেতর থাকে না।’
অবশ্য এই ফরম্যাটে খুব বেশি সুখস্মৃতি নেই সাইফের। ডাচদের বিপক্ষে নামার আগে ৫ ম্যাচের মধ্যে তিনবারই 'ডাক' মেরেছেন। এক ফিফটিতে ৫ ম্যাচে করেছেন মোটে ৫২ রান। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিতই পারফর্ম করছেন, গ্লোবাল সুপার লিগেও দাপট দেখিয়ে জাতীয় দলের নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন। সালাহউদ্দিনের দাবি, ধৈর্যের সুফলই পাচ্ছেন সাইফ।
তার ভাষ্যমতে, ‘অনেক মানুষই চেষ্টা করে, কিন্তু ধৈর্যটা অনেকের হয়তো এক মাস থাকে, দুই মাস থাকে, এক বছর থাকে। কিন্তু তার ধৈর্যটা চার বছর ধরে দেখলাম। এটা একটা বড় ধরনের…। আপনি কত দিন ধরে ধৈর্য ধরে রাখছেন। সেটার ফলই হয়তো সে পাচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরও ভালো করবে।’